ঢাকাসোমবার , ২২ মে ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

কুড়িগ্রামে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হুমকির মুখে শত শত বাড়ি

admin
মে ২২, ২০১৭ ৮:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হাফিজুর রহমান হৃদয়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় হুমকির মুখে পড়েছে শত শত বসতবাড়ি। লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তেলিয়ানীর পাড় এলাকায় দুধকুমর নদী তীরবর্তী জমি থেকে অবৈধভাবে এসব বালু উত্তোলন করছে ওই এলাকার কিছু অসাধু বালু ব্যাবসায়ী। এলাকাবাসী জানায় তেলিয়ানীর পার এলাকার বালু ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ মেকার, ঈমান আলী, রেজাউল আলম ও লুৎফর রহমান গায়ের জোরে প্রভাব খাটিয়ে প্রায় দেড় মাস থেকে ৪টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে দেদারছে বালু উত্তেলন করে আসছে। লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ওই এলাকায় প্রায় ২ হাজার লোকের বসবাস। নদীর তীরেই তাদের বাড়ি। বালু উত্তোলনের ফলে রাস্তার পাশে বড় বড় খালের সৃষ্টি হয়েছে। চরম হুমকির মুখে পড়েছে ওই এলাকার শত শত একর ফসলি জমি, রাস্তাঘাটসহ বসতবাড়ি। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির সামান্য স্রোত আর ঢেউয়ের ধাক্কায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আসঙ্কা ওই অঞ্চলের। প্রতিনিয়ত ৪-৫টি ট্রলিতে বালু পরিবহনের কারণে রাস্তাটিও প্রায় অচল। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এছাড়াও প্রধান সড়ক দিয়ে ট্রলিত বালু পরিবহনের ফলে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারী। স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীরা ভয়ে এ রাস্তায় চলাচল করে না। এলাকার জহুর আলী (৫৫), আব্দুর রহিম (৪২) হাফিজুর রহমান (১৯) ও ফজুল্যা মিয়া (৬৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বালু তোলার কারণে আমাদের যে কতটা ক্ষতি হচ্ছে সেটা তারা বুঝতে চেষ্টা করছে না। নদী ভাংলে আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও থাকবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সাক্ষাতকার দিতে রাজি না হয়ে জানায়, তারা সংবাদকর্মীদের কাছে এ বিষয়ে মুখ খুললে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে দেবে বালু ব্যবসায়ীরা। এত কিছুর পরেও চেয়ারম্যান মেম্বাররা কোন খোঁজ খবর রাখছে না, শুধু ভোটের সময় ভোট নেয়ার জন্য আসেন আর তাদের দেখা মেলে না বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। যেনো গরিবদের দেখার কেউ নেই। মরার উপর খরার ঘাঁ। এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী ঈমান আলীর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি। লুৎফর রহমান বলেন, আমরা আমাদের নিজের জমি থেকে বালু তুলছি। বাকী ২ জনের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ব্যাপারী বলেন, আমি চৌকিদার দিয়ে তোলার নিষেধ করেছি কিন্তু মানেনি, আমি আর কী করব। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। উপ সহকারী (ভূমি)কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের মোবাইলকোর্টের আওতায় আনা হবে এবং যেসব বালু স্টক রয়েছে তা সরকারি কোষাগারে জমা নেয়া হবে।

স/এষ্