ঢাকাশনিবার , ২৮ অক্টোবর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কুষ্টিয়ায় মরিচ চাষে লোকসান

admin
অক্টোবর ২৮, ২০১৭ ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

কুষ্টিয়ায় মরিচ চাষে লোকসান

কুষ্টিয়া,

কুষ্টিয়ায় এবছর মরিচ চাষ করে লোকসানে পড়েছেন চাষিরা। মরিচের দাম বাজারে ভালো থাকলেও কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও বাতাসের কারণে তা নষ্ট হয়ে গেছে।
কৃষকরা বলছেন মরিচ আবাদের কীটনাশক ও শ্রমিকদের মজুরী খরচই উঠছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের দেওয়া তথ্য মতে, জেলায় মোট ১২৪৬ হেক্টর,জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলায় ৮১৬ হেক্টর, মিরপুর উপজেলায় ৮০ হেক্টর, ভেড়ামারা উপজেলায় ১০০ হেক্টর, খোকসা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর,ও কুমারখালী উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, জমিতে মরিচ চাষ করা হয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাতগাছা গ্রামের আব্দুল শেখ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবছর ফসলে ভালো দাম আর লাভের আশায় মরিচ আবাদ করেছি এক বিঘা জমিতে। মরিচের দামও বেশ ভালো। কিন্তু টানা তিনদিনের ভারি বৃষ্টির কারণে মরিচ লাগানো জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় মরিচ গাছ গুলো শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। আর যে গাছ গুলো জমিতে রয়েছে তাতে নতুন করে ফুল আসছে না। তাই মরিচ আবাদ করে ক্ষতির মুখে পড়েছি এবার।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গাফতলা গ্রামের মাবিয়া খাতুন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, মরিচ আবাদে কীটনাশক, জমির সেচ, বীজ, সার, শ্রমিক খরচ দিয়ে বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। মরিচ জমিতে ভালো হলে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা লাভ হয়। এবছর কয়েকদিনের টানা বর্ষণের কারণে তা নষ্ট হয়েগেছে। পরিবারের মানুষ গুলোকে নিয়ে দুরচিন্তায় পরেছি কিভাবে সংসার চলবে এটা ভেবে কুলকিনারা পাচ্ছি না। মরিচের ক্ষতিতে সর্বশান্ত হয়ে গেছি।

দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবছর
এ উপজেলায় ৮১৬ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। কৃষক যদি বলে মরিচ চাষে লোকসান এটা তাদের মন গড়ানো কথা। মরিচের এখন শেষ সময় তাই কয়েকদিনের টানা বর্ষণে সেই গাছ গুলো শুকিয়ে কিছু জমিতে মারা যাচ্ছে। এসব জমিতে এখন মরিচের গাছ কেটে অন্য ফসল করবে কৃষক। আপনি একদিন আমার অফিসে আসেন দুইজন মিলে ঘুড়ে দেখবো কোন মরিচ চাষির লোকসান। আপনি যেই এলাকায় ঘুড়ছেন ওই এলাকায় মরিচ আবাদ একটু কম এমনটাই জানান তিনি।

কুষ্টিয়া জেলা কৃষি বিপণন অধিপ্তরের বাজার কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, মরিচের দাম বাজারে বেশ ভালো কৃষক দামেই বিক্রয় করছে মরিচ। বৃষ্টি কম হলে মরিচ কম দামেই কিন্তে পারতো ক্রতারা। তবে কয়েকদিনের টানা বর্ষণে কৃষকের একটু ক্ষতি হয়েছে।

জেলা অতিরিক্ত উপপরিচালক কর্মকর্তা (শস্য) ড. হায়াত মাহমুদ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এবার কুষ্টিয়ায় মোট ১২৪৬ হেক্টর,জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে। কয়েকদিনের টানা বর্ষণে হালকা ক্ষতি হয়েছে মরিচের। জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়া আগাছা পরিষ্কার না থাকায় গাছ গুলো শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। তবে আমাদের প্রত্যেক কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বৃষ্টিতে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।

স/মা