কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিদ্যুৎ প্রসাদ রায়
দীর্ঘ সময়ে অবহেলিত থাকার পর আবার আশার স্বপ্ন দেখাচ্ছে সোনালী আঁশ পাট। কিন্তু জেলার এবার পাটের বাম্পার ফলন হলেও অনেক উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় পানির অভাবে কৃষকরা পাটের গাছ পঁচাতে পারছেনা। অনেকে পাটগাছ কেটে ঐ জমিতেই সামান্য পানিতে পাট পঁচাতে ঝাক দিচ্ছেন। ফলে পাটের মান ও পরিমাণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন কৃষকরা।
চলতি মৌসুমে জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ১২টি উপজেলায় পাট আবাদ লক্ষ্য মাত্রা ১৬৮০০ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা থেকে ১৬৭২০৬ বেল পাট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। কিন্তু পাট চাষিরা ১১টি উপজেলায় প্রায় ২০৮৫০ হেক্টর জমি আবাদ করে। ফলে এ থেকে প্রায় ২০৪৯৭৭ বেল পাট উৎপন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। কিন্তু পাট গাছ কেটে সময়মত প্রয়োজনীয় পানিতে ইহা পঁচাতে না পারায় পাটের মান ভালো হবে না বলে অনেকে ধারণা করছেন। অপরদিকে পাটের মান ভাল না হলে কৃষকরা পাটের ভালো দাম পাবেন না। ফলে এ নিয়ে কৃষকরা চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন। যদি এরি মধ্যে উঁচু এলাকায় আরো প্রচুর বৃষ্টিপাত না হয় তবে অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাবে এবং চাষিদের দুঃখ দূর্দশার সীমা থাকবে না। ফলে বাম্পার ফলন হলেও আশান্বিত দাম ও পরিমাণ নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা।

