মোঃ আজম খাঁন,বাঘারপাড়া(যশোর) থেকে : কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে শেরশাহ সড়ক তথা সড়ক এ আজম বা গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও তার ইতিহাস।চার শতাব্দীর এ পুরাতন সড়কটি বাংলাদেশ অংশে অ¯িতত্বের সংকটে ভুগলেও এশিয়ার অন্ততঃ ৩টি দেশে এ সড়ক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভ’মিকা রাখছে।ব্যবহারিত হচ্ছে এশিয়ান হাইওয়ে হিসাবে।এ সড়কটি মুঘল আমলে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রধান সড়ক হিসাবে ব্যবহারিত হত।বর্তমানে এ সড়কটি চালু থাকলে ঢাকার সাথে যশোরের দুরত্ব কমপক্ষে ৬০ কিলোমিটার কমে যেত।
১৫৪১ থেকে ১৫৪৫ খ্রীঃ এর মধ্যে ২৫ শত কিলোমিটারের এ সূদীর্ঘ রা¯তাটি নির্মান করেন তৎকালীন দিল্লীশ্বর শেরশাহ।তৎকালীন সময়ে বালাদেশের চট্রগ্রাম থেকে যশোরের উপর দিয়ে পশ্চিম বঙ্গের হাওড়া হয়ে পাকি¯থানের পেশোয়ারের মধ্য দিয়ে এ সকটি সুদুর কাবুল পর্যন্ত এ সড়কটি নির্মিত হয়।এ সড়কটি উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে একত্রিত করেছে।বর্তমানে এ সড়কটি ভারত,পাকি¯থান ও আফগানি¯থান এশিয়ান হাইওয়ে হিসাবে ব্যবহার করলেও বাংলাদেশ অংশে এ সড়কের অব¯থা চরম শোচনীয়।অনেক ¯থানে এ সড়কের চিহ্ন ও নাই।বাংলাদেশে এ সড়কের অ¯িতত্ব রয়েছে কেবলমাত্র যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলায়। শেরশাহ সড়ক নামে উপজেলার প্রবেশদ্বার থেকে বাঘারপাড়া উপজেলা সদর ছুয়ে যেয়ে মাত্র ৩৭ কিলোমিটার বি¯তৃত।কিন্তু ঐতিহাসিক এ সড়কটির যেটুকু অ¯িতত্ব আছে তাও বর্তমানে সং¯কার বা নির্মানের অভাবে অ¯িতত্বের সংকটে ভুগছে।রা¯তা ভেঙ্গে-চুরে সাধারণ মানুষ চলাচলের ক্ষেত্রে স¤পুর্নভাবে অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।
কালের স^াক্ষী এ শেরশাহ সড়কটি চট্রোগ্রাম থেকে বাংলার ঐতিহাসিক রাজধানী সোনারগাঁ হয়ে যশোর পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে হিসাবে পুনঃনির্মিত হলে একদিকে যেমন ইতিহাস ও ঐতিহ্য বজায় থাকবে অন্যদিকে এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যব¯থার উন্নয়ন ঘটবে এবং শিক্ষার্থীরা ইতিহাস ও ঐতিহ্য স¤পর্কে ধারনা পাবে বলে সাধারন মানুষের ধারনা।
স/এষ্

