ঢাকারবিবার , ৮ অক্টোবর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কালীগঞ্জের তুষার ইলেকট্রিকের দোকানে চুরির ঘটনায় আরো ৩ চোর গ্রেফতার

admin
অক্টোবর ৮, ২০১৭ ১০:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের তুষার ইলেকট্রিকের মোবাইল ফোনের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় আরো ৩ চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে কলেজ পাড়া ও গোরস্থান পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নিরব হোসেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো শহরের গোরস্থান পাড়ার মৃত ভদ্র বিশ্বাসের ছেলে সবুজ বিশ্বাস (২২), একই পাড়ার শাহজাহানের ছেলে সুজন (২৩) ও কলেজ পাড়ার শহীদ মোল্ল্যার ছেলে আনারুল ইসলাম (২২)। এ নিয়ে গত দুই দিনে এ মামলার ৬ আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নিরব হোসেন জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে শহরের মধুগঞ্জ বাজারস্থ তুষার ইলেকট্রিকের মোবাইল ফোনের দোকানের দেয়াল ভেঙ্গে চোরেরা নগদ ১ লাখ টাকা ও ১৭ টি দামি মোবাইল ফোন যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৯১ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। এ মামলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রথমে উপজেলার হুদা ডাউটি গ্রামের আহম্মদ আলী মুন্সির ছেলে ইউসুফ আলী (৩০), ফয়লা গোরস্থান পাড়ার সমর আলীর ছেলে আমির আলী (২৩) ও কলেজপাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে সজল (২৫) কে গ্রেফতার করে। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শনিবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চুরির সাথে জড়িত সবুজ বিশ্বাস, সুজন ও আনারুল ইসলাম নামের আরো তিন চোরকে গ্রেফতার করেন। রোববার বিকেলে ঝিনাইদহ চতুর্থ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আশরাফুজ্জামের উপস্থিতিতে তারা চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান খাঁন বলেন, তুষার ইলেকট্রিকের মোবাইল ফোনের দোকানে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মোট ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। এ মামলা দায়েরের ১৮ দিনের মাথায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সকল চোরদের গ্রেফতার সক্ষম হয়েছেন।

স/মা