বগুড়ায় আলোচিত তরুণীকে ধর্ষণ এবং পরে তাকে ও তার মাকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর মাথা ন্যাড়া করার মামলার তদন্তে গড়িমসি করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আরিফুর রহমান ম-ল তাকে ডেকে সতর্ক করেছেন। তিনি মামলার আদ্যপান্ত খোঁজ নেওয়ার পর মামলার গতি দ্রুততর করার দিকনির্দেশনা দেন তদন্ত কর্মকর্তাকে। এদিকে তরুণীকে ধর্ষণকারী শ্রমিক লীগের (বহিষ্কৃত) শহর কমিটির আহ্বায়ক তুফান সরকার কারাগারে রাজকীয় সময় কাটাচ্ছে বলে জানা গেছে। কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিশেষ কারণে তুফান এবং তার সহযোগীদের সেবা-যতেœর ত্রুটি রাখছেন না। বগুড়া কারাগারের একাধিক সূত্র এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।চাঞ্চল্যকর এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তুফান সরকার, তার স্ত্রী আশামনি, শাশুড়ি রুমি খাতুন, স্ত্রীর বড় বোন পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকি ঘটনার পরে প্রকাশ্যে ও মিডিয়ার কাছে ঘটনার কথা স্বীকার করলেও পুলিশ রিমান্ডে যাওয়ার পরেই তারা বদলে যায়। যার কারণে তুফানকে চার দফা, রুমকিকে ৩ দফা এবং অন্যদের একদফা করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার পরও এই চারজনকে আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদানে রাজি হয়নি।

