ঢাকাবুধবার , ৫ জুলাই ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

কলেজে ঢুকে চার ছাত্রলীগ নেতাকে পেটালো বখাটোরা

admin
জুলাই ৫, ২০১৭ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

তাপস কুমার, নাটোর:
ছাত্রীদের উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নাটোর এন এস সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদকসহ চার ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে জখম করেছে বহিরাগত বখাটেরা। বুধবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে সশস্ত্র বখাটেরা তাদের মারপিট করে। সাধারন শিক্ষার্থীরা জানায়, ঘটনার সময় অধ্যক্ষের কক্ষে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা বের হননি।
জানা যায়, শহরের বড়গাছা এলাকার একদল বখাটে প্রায় প্রতিদিনই এলাকা সংলগ্ন নবাব সিরাজ-উদ দৌলা সরকারী ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রীদের উত্যক্ত করে। বিষয়ে ছাত্রীরা কলেজের অধ্যক্ষকে জানালে অধ্যক্ষ তা এড়িয়ে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের বিষয়টি দেখতে বলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন রিয়ন বখাটেদের ডেকে ছাত্রী উত্যক্ত করতে নিষেধ করে। বুধবার সকালে ওই বখাটে যুবকরা কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে আবারও ছাত্রীদের উদ্যেশ্য করে অশালীন উক্তি ও অঙ্গভঙ্গি করে। এ সময় ছাত্রলীগের ওই নেতা সহ সাধারন ছাত্ররা প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করে। এর কিছু পর ওই বখাটে যুবকরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতা সাহরিয়ার হোসেন রিয়নের ওপর চড়াও হয়ে মারপিট করে। এসময় ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সহ-সভাপতি শেখ তারেক স্পর্শ এবং সদস্য সাকলাইন নাবিল ও টিপু তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে তারও বেধড়ক পিটুনী দেয় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা। তাদের রডের আঘাতে মাথায় রক্তাক্ত হয় স্পর্শ। এসময় সাধারন ছাত্রদের এগিয়ে আসতে দেখে বখাটেরা ক্যাম্পাস থেকে সটকে পড়ে। পরে তাদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার রিয়ন জানান, শহরের হাফরাস্থা এলাকার জরিফ, মোহন, সবুজ, শাহাদত, মামুন ও মুহিতসহ ১২ থেকে ১৫ জন হাসুয়া ও রড সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে ঢোকে। এসময় তারা তার ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এসময় স্পর্শের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং অন্য দুজনকে রড দিয়ে পেটাতে থাকে। সাধারন ছাত্ররা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঘটনার সময় অধ্যক্ষের কক্ষে অধ্যক্ষ সহ পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কিছুই টের পাননি। এসব বখাটেদের বেহাল্লাপনা সম্পর্কে ইতিপুর্বে অধ্যক্ষ সহ কয়েকজন শিক্ষককে জানানো হয়েছে।
নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর পরই পুলিশ কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সামসুজ্জামান জানান, তিনি তাৎক্ষনিক শুনেছেন কলেজ ক্যাম্পাসের বাহিরে পুকুরের পাড়ে এই মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা শুনে পুলিশকে জানালে তারা ক্যাম্পাস আসে। তিনি জানান, কলেজ অডিটরিয়ামে একটি সর্ম্বধনা সভা থাকায় তিনি হাসপাতালে যেতে পারছেন না। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক উপস্থিত থাকার কারনে তিনি আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে যেতে পারেননি বলে জানান।

স/এষ্