কলারোয়ায় শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে সভাপতি/সম্পাদকসহ দু’টি প্যানেলে ৩৯টি মনোনয়ন পত্র জমা
ফিরোজ জোয়ার্দ্দার,সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি,
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বঞ্চিত শ্রমিকদের খেটে খাওয়া অধিকার আদায়ের লক্ষে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর শুরু হল মটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উল্লাস মেলে। তারা বলেন, শ্রমিক অধিকার আদায়ের জন্য চাই যোগ্য নেতা কিন্তু এখন শ্রমিক নেতারা হয়েছে ফটোসেশন নেতা। কোন গ্রু’পের সাথে থেকে রক্ষা করা যায় নিজেদের গদি সেই লড়ায়ে ব্যাস্ত। শ্রমিক নেতাদের এমন আচারণে সাধারণ শ্রমিকরাও হতাশ।
এদিকে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে কলারোয়া সড়ক পরিবহন (মটর শ্রমিক) ইউনিয়নের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০শে ডিসেম্বর ভোট গ্রহনের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। এই প্রচার প্রচারণায় দু’টি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনিবার্হী কমিটির ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই দু’টি প্যানেল চুড়ান্ত নির্বাচনী ঘোষনা দিয়ে পুরো দু’টি প্যানেল মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এবং বাকি কয়েকজন সাধারণ শ্রমিকদের আহবানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন পদে মনোনয়ন কেনেন।
সোমবার রাতে ঘোষিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সুত্রে জানা যায়, কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্য্যালয় সরকারি কলেজের সামনে অবস্থিত ইউনিয়নে সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক পদসহ শ্রমিকরা মোট ৩৯টি মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছে। বাকি কয়েকজন শ্রমিক ব্যক্তি ইমেজে তাদের মনের পদে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করে জমা দিয়ে চলে যায়। জাঁকজমকপূর্ণ এই নির্বাচনে দু’টি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে লড়াই করবেন প্রার্থীরা। প্যানেল দু’টির প্রার্থীরা হলেন মজনু- রশিদ পরিষদ এবং মিঠু- রহিম পরিষদ।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, প্রথমে বিগত কমিটির সাবেক সভাপতি মজনুর রহমানের নেতৃত্বে বিকাল ৫টার দিকে নির্বাচন কার্য্যালয়ে পুরো প্যানেল নিয়ে মজনু সভাপতি এবং শ্রমিক নেতা আব্দুর রশিদ সাধারণ সম্পাদক পদে ১৫জন পদধারী সদস্য মজনু- রশিদ প্যানেল পরিষদের মনোনয়ন পত্র কিনে সেটা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়ে চলে যায়।
২য় দফা সন্ধ্যার পর নির্বাচনী কার্য্যালয়ে আসেন সস্প্রতি ভেঙ্গে যাওয়া কমিটির সাবেক সভাপতি মনজুরুল ইসলাম মিঠুর নেতৃত্বে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ ১৪ জনের একটি শ্রমিক পদধারী নেতারা। এ সময় সভাপতি পদে মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রহিম মনোনয়ন পত্র কিনে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয়।
হাতে দু’দিন বাকি থাকায় এখনো মনোনয়ন পত্র কিনতে আগ্রহ সাধারণ শ্রমিকরা।
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ১৩’শ ভোটারের মধ্যে কারা হবেন ইউনিয়নের নেতা সেটা দেখতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আমাদের নির্বাচনের দিন ৩০শে ডিসেম্বর ভোট গ্রহন পর্যন্ত।
স/মা

