ঢাকারবিবার , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

admin
ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭ ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে কাজ করুন
কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ

ফিরোজ জোয়ার্দ্দার,সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি,
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা চত্বরে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
এ সময় তিনি বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে এক বিশ্বয়কর ইতিহাস এই বিজয় দিবস। যা অর্জিত হয়েছে দীর্ঘ ৯মাস যুদ্ধ করে। তাতে সাধারণ কৃষক, ধনী এবং সকল সমাজের মানুষ এক প্রাণ হয়ে রক্ত, জীবন, কঠিন আতœত্যাগের মধ্য দিয়ে পাক হানাদারদের নিকট থেকে মুক্তিযোদ্ধারা ছিনিয়ে এনেছে এই বিজয়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধের এই ইতিহাস এক সময় হারিয়ে গিয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধার এ চেতনাকে নিস্তব্দ করে দেয়া হয়েছিল। যা কালের ইতিহাস ঘুরে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হারিয়ে যাওয়া সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজ আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন।
শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে আবার ক্ষমতায় আওয়ামীলীগকে যেতে হবে। তার জন্য মুক্তিযুদ্ধাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র জমা দিয়েছে কিন্তু অভিজ্ঞতা জমা দেয়নি। মুক্তিযোদ্ধারা যে ইতিহাস দেখেছে সেটি ছিল বর্বরতায় পূর্ণ। অপমান করেছে মুক্তিযোদ্ধার সকল চেতনাকে।
একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে যারা স্বাধীন করেছে তাদেরকে আমরা বুকভরা সন্মান করছি। আর যারা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কলঙ্কিত করে চেতনাকে ধ্বংশ করতে চেয়েছিল তাদেরকে নির্মিষেয় শেষ করে দেয়া হয়েছে। এমনকি তখন ভ্যান চালিয়ে জীবন যাপন করেতো মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।
মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ওসি বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, যদি মুক্তিযোদ্ধাদের কোন শক্তি আগমন করে তাহলে আপনারা আমাকে পরামর্শ দেবেন। আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে কথা দিচ্ছি কখনও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান নষ্ট হতে দেব না।
এ ছাড়া আজ ৪৬ তম মহান বিজয় দিবসে সে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ ছাত্রীরা হাজির হয়েছেন তাদের বলবো আপনারা সকল অপশক্তির হাত থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরুন। তাই সকলে এক যোগে মুক্তিযোদ্ধার চেতনাকে জাগ্রত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আবারও ক্ষমতায় বসিয়ে তার পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে কাজ করুন। যারা ছাত্র/ছাত্রীদের এই অনুষ্ঠানে হাজির হতে দেয়নি তারা মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের শক্তি নয়। কেনো মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মে ছাত্র/ ছাত্রীরা জানাতে পারবে না তা খুব লজ্বাজনক বিষয়। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে আহবান করেন। আর না পারলে আমাকে বলেন দেখবেন আমি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারবো এবং সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি আলহাজ্জ্ব নজরুল ইসলাম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন, আব্দুল গফ্ফার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ আলী গাজী, আবুল হোসেন গাজী, চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু প্রমুখ।
এ ছাড়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, চেয়ারম্যানগন এসএম মনিরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, মাস্টার নূরুল ইসলাম, আবুল কালাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকবার হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মহাসীন আলী, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা তাহের মাহমুদ সোহাগ, প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডা এএস এম আতিকুজ্জামানসহ সকল দফতারের কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যগন।

স/মা