ঢাকারবিবার , ১২ নভেম্বর ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কলারোয়ায় পৌরসভার কাউন্সিলর কে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি

admin
নভেম্বর ১২, ২০১৭ ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

কলারোয়ায় পৌরসভার কাউন্সিলর আকিমুদ্দিনকে প্রকাশ্যে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দিল সন্ত্রাসী গোলাম

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি,
সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকিমুদ্দিন দফাদারকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দেন বহু মামলার আসামি সন্ত্রাসী গোলাম। এই ঘটনায় আকি কমিশনার বাদি হয়ে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় হাজির হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী নং (৮৯০) ৯/১১/১৭ দায়ের করেন। সাধারণ ডায়েরীর বিবরণে জানা যায়, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে ও আকিমুদ্দিন আকিকে গত ৮/১১/১৭ তারিখ আনুমানিক বেলা দেড়টার দিকে শাপলা হল মোড়ে প্রকাশ্যে স্থানীয়দের সামনে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দেন একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে জোড়া হত্যা মামলার আসামি গোলাম। এবং আকি কমিশনারকে একা পেলে গলা কেটে হত্যা করে লাশ খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে হুশিয়ারী উচ্চরণ করেন গোলাম। তাই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় হাজির হয়ে আকি কমিশনার সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়ায় ইতিহাসে আলোচিত রমজান মাসে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি করার চেষ্টাকালে দুই নৈশ প্রহরীকে কুপিয়ে হত্যা ঘটনার এজাহারভুক্ত আসামি গোলাম বহু তবিয়াতে পুলিশের চোঁখ ফাকি দিয়ে তার মাদক ফেন্সিডিল ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে থানা পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে গোলামের বিরুদ্ধে।

বিগত সময়ে থানার ওপেন হাউস ডের রাতে লোহাকুড়া মোড় থেকে মটর সাইকেল ছিনতায়ের ঘটনার এজাহারভুক্ত আসামি সে। এই গোলাম অতিতে র‌্যাব ৬ সেজে হাসপাতালের সামনে থেকে এক ব্যবসায়ীর ৩লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। সম্পতি গত ৭/১১/১৭ তারিখে মির্জাপুর গ্রামের শামসুর রহমানের নিরিহ ছেলে ইকবাল হোসেনের বাড়িতে ফেন্সিডিল রেখে তাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়। আবার গোলাম ইকবলকে ছাড়ানোর কথা বলে থানার সেকেন্ড অফিসার আমিনুল ইসলামের নাম করে সোর্স পরিচয়ে ৪০ হাজার টাকা নেয়। তাছাড়া মুরারীকাটি গ্রামের ইনামুল ইসলামের কাছ থেকে ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী সাঁজিয়ে পুলিশকে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৩০হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে গোলাম। আবার একই গ্রামের রফিকের কাছ থেকে ফেন্সিডিল বেচা-কেনা করার জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করেন গোলাম। অবশ্যই সেটা বাজার কমিটির মেম্বার রবিউল ও আবু জাফরের মাধ্যমে গোলামকে কিছু টাকা দিয়ে মিটিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া বাদলের কাছ থেকে ১০হাজার ও মির্জাপুর রাজুর বাড়িতে ফেন্সিডিল রেখে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা চাপ দেয় গোলাম। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার কারণে। এই গোলাম থানার দারোগার মটর সাইকেল ছিনতাই করেছিল। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলা হওয়ায় গোলাম টাকা দিয়ে সে-যাত্রায় রক্ষা পায়। এদিকে ভুক্তভোগীরা বলছে, গোলাম থানার বিভিন্ন দারোগাদের নাম করে মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা এনে আতœসাৎ করেছে। তাই গোলামের এমন ঘৃন্য কাজে সাধারণ মানুষ ভয়ে আতংকে জীবন যাপন করছে। তাই অচিরে গোলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য পুলিশসহ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবগতি করা হলো।

স/মা