ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

কর্মী বান্ধব দক্ষ সংগঠক এমপি অসীম কুমার উকিল ও সাবেক এমপি অপু উকিল

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৩:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কর্মী বান্ধব দক্ষ সংগঠক এমপি অসীম কুমার উকিল ও সাবেক এমপি অপু উকিল

 

নেত্রকোণা থেকে মো: আসাদুজ্জামান খান সোহাগ- এমপি অসীম কুমার উকিল ও সাবেক এমপি অপু উকিল অনেক সময় সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলতে গিয়ে বা লিখতে গিয়ে তোষামোদির তকমাভুক্ত হতে হয়। আজকের প্রয়াসঃ আজকে যাঁকে নিয়ে লিখতে চাই তিনি একজন তুখোড় রাজনৈতিক সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, অনলবর্ষী বক্তা, টকশোতে আলোড়নকারী ব্যক্তিত্ব, সংস্কৃতিমনা ও সংগীত শিল্পী, রূপে গুণে গুণান্বিত ও সর্বোপরি কর্মীবান্ধব নেতা। আমার মত স্বল্প মেধার মানুষ তাঁকে যথার্থ মূল্যায়নে তাঁর সম্পর্কে গুছিয়ে লিখা খুবই দুরূহ কাজ।

তিনি ভাটি বাংলার বধু বিশেষ করে কেন্দুয়া-আটপাড়া তথা নেত্রকোণার সুপ্রিয় বৌদি, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অধ্যাপিকা অপু উকিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পেশা জীবন শুরু করেন। কিন্তু বাংলাদেশ ছাত্রলীগেরনেতৃত্ব দানকারী ব্যক্তির রক্তধারা তাঁকে পেশাজীবী জগতে বেশি দিন থাকতে দেয়নি। ২০০১-২০০৬ সময়ে বিএনপি-জমায়াত জোট সরকারের দুঃশাসন বিশেষ করে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যদের উপর অমানবিক নিপীড়ন-নির্যাতনে দিশেহারা। এ অবস্থায় তিনি কলেজের ছাত্র-ছাত্রী পড়ানোতে মনঃ সংযোগ করতে পারেননি।

এক সময়ের সহযোদ্ধাদের নৃশংস দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে স্বৈরাচার সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ার লক্ষ্যে চাকুরী ছেড়ে রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর স্বামী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ- প্রচার সম্পাদক (বর্তমানে আ’লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা-০৩ আসনের জাতীয় সংসদের সাংসদ) বাবু অসীম কুমার উকিলের প্রেরণায় ছাত্রলীগের সাবেক একঝাঁক মেধাসম্পন্ন নেত্রী নিয়ে তখনকার বিরোধী দলীয় নেত্রী আজকের উন্নয়ন বান্ধব সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে জোট সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার বাসনা ব্যক্ত করেন। নেত্রীর নির্দেশ মোতাবেক ২০০২ সালের জুলাই মাসের ৬ তারিখে বাংলাদে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের তালিকা ভুক্তির প্রত্যয়ে শেখ হাসিনার আন্দোলনের গতি আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুব মহিলা লীগ নামে একটি ব্যানার নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েন।

উল্লেখ্য ঐ সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন গুলোও মাঠে নামতে হিমশিম খাচ্ছিল। কিন্তু অধ্যাপক অপু উকিল ও নাজমা আক্তারের নেতৃত্বে ঢাকার রাজপথ সহ বাংলাদেশের আনাচে কানাচে যুব মহিলা রীগ জোট সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে যে তীব্র প্রতিরোধের দেয়াল তৈরি করেছিল তা সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।

ফলশ্রুতিতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পতন ঘটে এবং কিছুটা কালক্ষেপনের এক পর্যায়ে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরস্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভে সরকার গঠন করে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ডের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের কেন্দুয়া-আটপাড়া তথা নেত্রকোণার প্রিয় বৌদি অধ্যাপিকা অপু উকিলকে মহিলা আসন- ০২ এর সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেন। উল্লেখ্য যে, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ক্রম সাধারণ নেত্রীর একান্ত বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন হিসেবে সাজানো হয়। বৌদি তাঁর রাজনীতির প্রায় শুরু থেকেই দাদার সাথে দাদার পৈত্রিক নিবাস কেন্দুয়া উপজেলার মানুষকে আপন করে নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সাথে সাথে ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দিলেন আটপাড়া উপজেলাসহ নেত্রকোণা জেলার আওয়ামী লীগ পরিবারের সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ আপামর জনতার প্রতি।

সময় যত যাচ্ছে কেন্দুয়া-আটপাড়া তথা নেত্রকোণা জেলার মানুষের সাথে বৌদির সম্পর্ক ততই গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে। সাধারণত নেতারা যখন কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেন তখন অধিকাংশ নেতারাই কেন জানি কর্মীবান্ধব থেকে দূরে সরে কর্মী বিচ্ছিন্ন হন।

বর্তমানে অধ্যাপিকা অপু উকিলের স্বামী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক বাবু অসীম কুমার উকিল নেত্রকোণা-০৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য। তাহারা কর্মী বান্ধবই রয়ে গেছেন পূর্বের ন্যায়। কেন্দুয়া-আটপাড়া উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন পর হলেও একই পরিবারে দুইজন কর্মীবান্ধব নেতা পেয়েছি। তাদের নিকট সব সময় দলীয় পারিবারিক সহযোগিতা পেয়ে যাচ্ছি।

স/বি