ঢাকাবুধবার , ১৪ জুন ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

কমলনগরে ২ সাংবাদিককে জামিন দিয়েছেন আদালত

admin
জুন ১৪, ২০১৭ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: 
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরবসু এলাকায় সন্ত্রাসী তান্ডবের ঘটনায় ০২ (দুই) সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জেরে লক্ষ্মীপুর জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমপর্ণ করার পর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। প্রসঙ্গত: গত ১০ই জুন আনুমানিক সকাল ১০ টার সময় চরবসু বাদামতলী বাজারের পার্শ্ববর্তী স্থানে খোকন মেম্বারের লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা চালাতে থাকে তার প্রতিপক্ষ মোঃ শফিক হাওলাদার গং। খবর পেয়ে তথ্য অনুসন্ধানে যায় জাতীয় দৈনিক খবর পত্রিকার কমলনগর প্রতিনিধি শাহরিয়ার কামাল ও চৌকস পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ মাহফুজুর রহমান। এসময় তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় শফিক হাওলাদার গংরা। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হলে খবর পেয়ে তথ্য অনুসন্ধানে যান জাতীয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ও চমক নিউজ. কম (অনলাইন) পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এ.কে.আজাদ। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগ মুহূর্তে কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আকুল চন্দ্র বিশ্বাসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রওয়নাকালে পথিমধ্যেই দেখা হয়, এস আই ডালিম কুমার মজুমদারসহ তার সঙ্গীয় ফোর্সদের সঙ্গে। পুলিশ ও সাংবাদিক একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং গুরুতর আহতদের দ্রুত গতিতে হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। হাসপাতালে তাদের পাঠিয়ে দিয়ে তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে পুলিশ-সাংবাদিক একই সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অথচ একটি কু-চক্রীমহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে ভুক্তভোগী ইউপি মেম্বার সহ অসহায় লোকজন ও সাংবাদিকদের আসামি করে কমলনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী খোকন মেম্বার জানান, ঘটনার দিন আমি সহ আমার যেসব লোকজন গুরুতর যখম হয়েছে, আমরা প্রত্যেকেই কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে ওই দিনই কমলনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করি। যার নং-০৬, তাং- ১০/০৬/২০১৭ ইং। মামলার খবর নিশ্চিত হয়ে উক্ত আসামিরা আমাকে চিরতরে শেষ করে দিবে মর্মে হুমকি দেওয়া সহ পরের দিনই আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তিনি আরো জানান, গনমাধ্যম কর্মীরা তথ্য অনুসন্ধান করতে যাওয়ায় এবং তথ্য ও নির্ভর যোগ্য সত্য সংবাদ পরিবেশন করায় তাদেরকেও জড়িয়েছে এই সাজানো মামলায়। এ ব্যাপারে সাংবাদিক এ.কে.আজাদ জানান, অনেক ঝুঁকি নিয়ে গনমাধ্যম কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করেন। পুলিশ প্রশাসন তাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা করা উচিৎ। কোন অপরাধীর কার্যসিদ্ধি হাসিল করার জন্য সাংবাদিককে নাজেহাল করা উচিৎ নয়। তিনি আরো জানান, প্রকাশ্য দিবালোকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশ-সাংবাদিক একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান এবং একই সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অথচ ওই থানার অফিসার ইনচার্জ সবকিছু অবগত থাকার পরও কোন অশুভ শক্তির কাছে মাথা নিঁচু করে জাতীর এই বিবেককে কলঙ্কীত করে মামলার এজাহারে নাম সহ ব্যঙ্গ চিত্রে ভুয়া সাংবাদিক উল্লেখ করে মামলা রেকর্ড করেছেন। যাহা সাংবাদিক সমাজে প্রশ্ন বিদ্ব এবং মানহানিকর। সাজানো এই মামলার বিষয় জানতে চাইলে ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস অভিযোগকারীর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

স/এষ্