এ.কে আজাদ (জেলা প্রতিনিধি)
লক্ষ্মীপুররের কমলনগর উপজেলাধীন ৪নং চর মার্টিন ইউনিয়নের চৌধুরী বাজার সংলগ্ন নুর আলম এর পরিবারকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টায় লিপ্ত পাশ্ববর্তী বাসিন্দা আবদুল মালেকগং। এর পূর্বেও নুর আলম পরিবারকে অহেতুক একটি চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নব্য কৌশলে পেশি শক্তির দাপটে নিরীহ এই পরিবারটিকে নাজেহাল করার বেপারে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। খোজ নিয়ে জানা যায়, দক্ষিন চর মার্টিন মৌজায় দিয়ারা ৪৭৩ খতিয়ানে ১২৩৬/৩৭ দাগের অন্দরে ২ একর ২০ শতাংশ জমির মালিক মোঃ নুর আলম। পাশ্ববর্তী বসবাসরত মালেক পরিবারদ্বয় যাতায়াতের দরজা হিসেবে নুর আলমের ব্যক্তিগত দরজা দিয়ে যাতায়াত করছে দীর্ঘ বছর ধরে। ঐ পথের সীমানালগ্নে মালেকগংয়ের জমি রয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, উদ্দেশ্য মূলক ভাবে নিজেদের জমি দাবি করে পথচারী রাস্তা কেটে সারীবদ্ধ গাছ লাগিয়েছে মালেকগংরা।
এতে করে বিষয়টি স্থানীয় মসজিদ কমিটিকে নুর আলম জানালে ক্ষিপ্ত হয় মালেকগং। উপস্থিত শতশত জনতার সামনেই দুপক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। উপস্থিত গ্রামবাসি বিষয়টি মিমাংসা করে দিবে বললে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান একাধিক ব্যক্তি। কথা হয় ঐ ওয়ার্ডের মেম্বার সাহাবউদ্দিনের সঙ্গে, তিনি জানান অত্র এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবৎ শান্তিপ্রিয় মানুষদের সাথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে মালেকগংরা। আইন-কানুন, শালিশ ব্যবস্থা কিছুই না মেনে বেপরোয়া ভাবে একের পর এক নিরীহ মানুষকে বিভিন্নভাবে নাজেহাল করার পাশাপাশি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা-হামলার স্বীকার হতে হয়। ইতোমধ্যে তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সেনা পরিবার সহ দুটি পরিবার বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যেতে হয়েছে।
মিথ্যা মামলার স্বীকার এই পরিবারটির বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরা এলাকার অতি শান্তিপ্রিয় স্থায়ী বাসিন্দা। এদেরকে চিরতরে উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে গত ২৪ই সেপ্টেম্বর মালেককে ইনজুরি দেখিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে, বিজ্ঞ আদালতে বানোয়াট ও ভিত্তিহীন একটি মামলা দায়ের করে যার নং ১০৭/১৭। তিনি আরো জানান, আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মিমাংশা করার চেষ্টা করলেও আমাকে ও পুরো সমাজবাসিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক অপরাধ প্রবনতা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এ বিষয়ে ভুক্তভুগী পরিবারটি জানান, আমাদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বাড়িটির একমাত্র চলাচলের রাস্তা কেটে বিভিন্ন সময় জোর পূর্বক গাছগাছালি লাগায় এবং যাতায়াতে চরম বিঘœ ঘটাতে থাকে। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদেরকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়। মালেকের নেতৃত্বে আবুল বাশার ও তার পুত্র আবদুর রহিম সহ রাশেদ, পারভেজ, মফিজ মিলে আমাদেরকে চিরতরে উৎখাত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভুগী পরিবারটি আইনের সু-ফল পেতে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করছেন
স/মা

