কবিতা লেখার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চান ইরা রানী রায়
আবু নাসের হুসাইন।। সাহিত্য চর্চা ও ফটোগ্রাফি পছন্দ করেন ইরা রানী রায়। কবিতা লেখার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চান তিনি।স্বামীর সংসার সামলানো ও একটি প্রি-ক্যাডেট স্কুল পরিচালনার পাশাপাশি কবিতা লিখে যাচ্ছেন ইরা রানী। তার লেখা কবিতা নিজের কন্ঠে আবৃতি করে সোশাল মিডিয়া ফেসবুক ও ইউটিউবে আপলোড করতে পছন্দ করেন তিনি। ৩০ টার মতো কবিতা লিখেছেন তিনি। এরমধ্যে “একদিন বৃষ্টি এসেছিল, ইচ্ছে, স্বপ্ন, বাবা আমি তোমাকে ভালোবাসি, বেঁচে থাকো আজীবন, তুমি আমার স্বামী হলেও প্রেমিক হতে পারোনি” সহ একাধিক কবিতা লিখেছেন তিনি। সাপোর্ট পেলে তার এ প্রতিভা সমাজে ফুঁটে উঠবে।

ইরা রানী রায় ১৯৮৩ ইং সালের ২৩ অক্টোবর ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার হাসামদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কাজী শামসুরনেছা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। তারপর ভাঙ্গা মহিলা কলেজ এইচএসসি পাশ করেন তিনি। এছাড়াও ভাঙ্গা কেএম কলেজ থেকে পলিটিক্যাল সাইন্স শেষ করেন। ২০০২ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সংসার শুরু করেন। বর্তমানে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী এলাকায় স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস তার। ২০১১ সাল থেকে ঝিলটুলী সানরাইজ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অবঃসর সময়ে কবিতা লেখা ও নিজের কন্ঠে কবিতা আবৃতি করেন তিনি।
ইরা রানী রায় এ প্রতিনিধিকে বলেন, ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য চর্চার দিকে আমার খুব ঝোঁকছিল! কিন্তু সেরকম উৎসাহ না থাকার কারণে আর এগোতে পারিনি। বর্তমানে ফেসবুক এবং প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে নিজেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি। ২০২০ সালে করোনার মধ্যে নিজেকে নিয়ে একটু ব্যস্ত হয়ে পড়ি, তখন পুরনো ইচ্ছা গুলো আবার ফিরে পাই। বেশ কিছু কবিতা লিখেছি কিন্তু ফেসবুকে দেওয়ার সুযোগ পাইনি।
এগুলোর পর পাশাপাশি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালো লাগে ! আমার বাড়িতে ছোট্ট একটি বাগান করেছি, এটাও একটি শখেরই মতো বলতে পারেন! সংসার বলতে আমার স্বামী আমি আমার ছোট ছেলে এবং মেয়ে। পাশাপাশি সানরাইজ স্কুলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। বর্তমানে ইউটিউব চ্যানেলে মাধ্যমে একটি আদর্শ কনটেন্ট Cerator হতে চাই। অবশ্য ভালো রেস্পন্স পাচ্ছি, এরকম উৎসাহ পেলে আশা করি ফরিদপুর শহরের জন্য কিছু একটা করতে পারবো।
স/এষ্

