ঢাকামঙ্গলবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

এবার পিবিআই”র কাছে মারুফা হত্যাকান্ডের তদন্তভার

admin
এপ্রিল ২৫, ২০১৭ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে গৃহবধূ ও কলেজছাত্রী মারুফা আক্তারকে খুনের তদন্ত নিয়ে নলছিটি থানা পুলিশের অপতৎপরতা ও নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে তার পরিবার আদালতের আশ্রয় নিলে আদালত বরিশাল পিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মারুফার পরিবার গত ১৯ এপ্রিল খুনিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও নলছিটি থানা পুলিশ নানা টালবাহানা করেও এজাহার রেকর্ড না করায় বাধ্য হয়ে ঝালকাঠি জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

নিহত মারুফার মা লাকী বেগম বাদী হয়ে ৫জনকে নামধারী আসামী করে অভিযোগ করলেও জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক ইফতেখার উদ্দিন মোল্লা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশনকে আগামী ২ মে তারিখের মধ্যে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

লাকী বেগম তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, ৪বছর পূর্বে নিহত মারুফা আক্তারকে বহরমপুর গ্রামের সুলতান হাওলাদারের পুত্র সুমন হাওলাদারের সাথে বিয়ে দিলেও জামাই সুমন বেকার হওয়ায় শুরু থেকেই বিভিন্ন ভাবে যৌতুকের দাবি করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে মেয়ের সুখ-শান্তি ও ভর্বিষ্যতের কথা চিন্তা করে জামাই বিদেশে যাওয়ার জন্য বহু কষ্টে ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন।

কিন্তু স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তাকে সব সময় সন্দেহ, দৈহিক পরিশ্রম, মানষিক-শারীরিক নির্যাতন করতে শুরু করে। এসব বিষয় প্রবাসী স্বামী সুমনের কাছে জানালে সেও পরিবারের পক্ষ নিয়ে স্ত্রীকে অকথ্য গালাগাল দিতেন।

এঅবস্থার মধ্যে ঘটনার দিন ১৭ জুলাই বিকাল ৪টা থেকে ৫টার দিকে মারুফা তার মাকে ফোন করে তার ওপর গোপন বিভিন্ন শারিরিক নির্যাতনের কথা জানালে তা শ্বাশুড়ি শুনে ফেলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এবং দেবর রিপন হাওলাদার, স্বপন হাওলাদার, শ্বশুর সুলতান হাওলাদার, শ্বাশুড়ি নেহার বেগম ও ঝাল রুবিনা বেগম বেপরোয়া নির্যাতন করে হত্যা করেন। পরে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে মারুফার মৃতদেহ নিয়ে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পৌছলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করতেই শ্বশুর-শ্বাশুড়িসহ সবাই মৃতদেহ ফেলে পালিয়ে যান।’

নিহত মারুফার স্বজনরা জানায়, মারুফাকে আনতে আমরা হাসপাতালে ছুটে যাই ও ফোন করে পুলিশকে ঘটনা অবহিত করি। পরে ঝালকাঠি পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে ১৮এপ্রিল বিকালে মৃতদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করে।

রাতে দাফন শেষে ১৯ এপ্রিল বিকালে মারুফাকে খুনের দায়ে ৫জনকে আসামী করে নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মামলা না নেয়ায় ২৩ এপ্রিল সোমবার আদালতের দারস্থ হয়েছি। তারা আরও অভিযোগ করেছে, আমরা জানতে পারি যে অর্থশালী মারুফার খুনি শ্বশুর পরিবারকে রক্ষায় নলছিটি সদরের ও ভৈরবপাশা ইউনিয়নের দুই আওয়ামী লীগ নেতা মধ্যস্থতায় মোটা টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করায় নলছিটি থানা পুলিশ এজাহার গ্রহণে এতো গড়িমসি করছে।

এমন কি হত্যাকান্ডের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনায় জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।”

স/এষ্