হিলি সংবাদদাতা:একদিকে স্বজন হারানোর বেদনা অন্যদিকে লাশ ফিরে আনার জটিলতা। এ নিয়ে নানা উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা পেরিয়ে দু’দেশের রাষ্ট্রীয় আইনি আনুষ্টানিকতা শেষে মৃত্যুর ৬ দিন পর কনিকা রানীর লাশ ফিরলো বাংলাদেশে। আর বয়ে গেলো হিলি চেকপোষ্ট শুন্য রেখায় শোকাহত স্বজনদের কান্নার মাতন।
আজ শনিবার বিকেল ৫ টার দিকে সকল আনুষ্টানিকতা শেষে কনিকা রানী সরকারের লাশ গ্রহন করলেন হিলি চেকপোষ্ট বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ।
১৩ ফেব্রুয়ারী ভোরে মারা যায় কনিকা রানী। ডেথ সার্টিফিকেটসহ লাশ নিয়ে হিলি চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করেন তার ছেলে টোকন চন্দ্র সরকার। শুরু হয় আইনি জটিলতা।
দিনাজপুরের সদর উপজেলার বরাইপুর গ্রামের বিমল চন্দ্র সরকারের স্ত্রী কনিকা রানী সরকার (৪৩)। ফুসফুস সংক্রমন এবং হার্টের ভাল্বজনিত কারনে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন তিনি। শেষ সন্বল জমিটুকু বিক্রি করে অর্থ জোগান নিয়ে পাসপোর্টে ২৬ ডিসেম্বর চিকিৎসা নিতে পাড়ী জমান ভারতে।
অর্থ সংকটে কোলকাতা, বেঙ্গালোর পেরিয়ে অবশেষে ভারতের দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে আত্মীয়র বাড়ীতে থেকে চিকিৎসা নেন কনিকা রানী। অবস্থার বেগতিকে ভর্তি হন মালদাহ হাসপাতালে। পরে চিকিৎসারত আবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
হিলি চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ওসি আফতাব হোসেন জানান, সকল আনুষ্টানিকতা শেষে কনিকা রানী সরকারের লাশ গ্রহন করা হয়েছে এবং তার স্বামী ও ছেলেকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
স/শা

