ইমানুল সোহান, ইবি প্রতিনিধি-
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সম্মান ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের আইন ও শরিয়াহ অনুষদভুক্ত ‘এইচ’ ইউনিটের প্রক্সি দিতে এসে ইন্দ্রজিৎ কুমার নামের এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । রবিবার চতুর্থ শিফটে পরীক্ষা চলাকালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের ১২৫ নং কক্ষ থেকে আটক হয় তাকে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, বিকাল ৪ টার দিকে ‘এইচ’ ইউনিটের চতুর্থ শিফটের পরীক্ষা চলাকালে ড. এম এ ওয়াজেদ আলী বিজ্ঞান ভবনে দায়িত্বরত শিক্ষক মূল প্রবেশ পত্রের রোলের সাথে অসঙ্গতি দেখতে পান। সে সেতনা খাতুন নামে এক ছাত্রীর পরিবর্তে পরীক্ষা দিচ্ছিল। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল- ৯০৩৯। এসময় সে দায়িত্বরত শিক্ষকের নিকট প্রক্সির বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তাকে স্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ভ্রাম্যম্ান আদালতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদলতের বিচারক কুষ্টিয়া ডিসি অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট সাইফুল ইসলাম কমল পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইন ১৯৮০ এর ৩ নং ধারা অনুযায়ী তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।
ইন্দ্রজিদ কুমার মাগুরা জেলার শ্রীরামপুর উপজেলার অজিত কুমার বিশ্বাসের ছেলে। এর আগেও সে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সি দিয়েছে বলে জিঙ্গাসাবাদে স্বীকার করে। এসময় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাসদ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রুবেল হোসেন এর সাথে সম্পৃক্ত আছে বলে স্বীকার করে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান বলেন, ‘‘ জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত ইন্দ্রজিৎকে আটকের পর ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে।
স/এষ্

