ঢাকারবিবার , ২১ জানুয়ারি ২০১৮
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

ইবিতে তিন মদ্যপ ছাত্রী উত্যক্তকারীকে ধরলেন প্রক্টর

admin
জানুয়ারি ২১, ২০১৮ ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মদ পান করে ছাত্রী উত্যক্ত করার দায়ে একজন বহিরাগত এবং দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে পুলিশে দিয়েছে ইবি প্রক্টর। মদ্যপ ও ইভটিজারদের মধ্যে দুই জন ইবি শাখা  ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন বলে জানা যায়।
প্রক্টর ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, আজ রোববার  বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দেশরত্ন  শেখ হাসিনা হলের তিন ছাত্রী মফিজ লেক এলকায় ঘুরতে যায়। এসময় সেখানে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় ইংরেজী বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ইউসুফ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ইমতিয়াজ এবং বহিরাগত মুহাইমিনুল ইসলাম লামন ছাত্রীদের অকথ্য ভাষায় উত্যক্ত করতে থাকে। এসময় ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানকে ফোন দিয়ে ‘স্যার আমাদের বাচাঁন’ বলে আকুতি জানায়। ইবি প্রক্টর শোনামাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে নিজেই তাড়া করে ওই তিনজনকে আটক করে। পরে আটককৃত তিনজনকে তিনি ঘটনাস্থলেই পুলিশে সোপর্দ করে।
অভিযোগ পাওয়া যায়,  তাদেরকে নিয়ে যাওয়ার সময় মফিজ লেক এলাকায় পুলিশের গাড়ির গতিরোধ করে দুই ছাত্রলীগ কর্মীকে ছিনিয়ে নেয় ছাত্রলীগের বহিস্কৃত কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী  ফয়সাল সিদ্দীকি আরাফাত ও তার সহযোগীরা। এসময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়। রোববার বিকেল পৌনে পাচঁটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মফিজ লেক সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যানা যায়,সে সময় এক পুলিশ কর্মকর্তা অসহায়ভাবে বলে,‘ছোটভাই তোমাকে ভালোবাসি কিন্তু কাজটা ঠিক করলে না।‘ পরে পুলিশ বহিরাগত মুহাইমিনুল ইসলামকে নিয়ে থানায় চলে যায়।
উল্লেখ্য,  ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে বহিরাগত লামনকে একাধিকবার পুলিশ অভিযান চালিয়েও গ্রেফতার করতে পারেনি বলে জানা যায়।
ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ছাত্রী প্রতিবেদককে  কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,‘ওদের তো নেতারা ছাড়িয়ে নিয়ে গেল এখন আর কিছুই হবে না। আমরা স্বাভাবিকভাবে আর চলাফেরা করতে পারব না। ওরা আমাদের দেখলেই এর প্রতিশোধ নিবে।’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার উপ পরিদর্শক কমলেশ দাস বলেন,‘আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় আরাফাতসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা দুইজনকে ছিনিয়ে নেয়। একজনকে থানায় নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’
ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি শেখ রতন জানান অভিযুক্তদের মামলার প্রস্তুতি চলছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ইবি শাখা  ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহীন বলেন,‘ইবিতে কয়েকজনকে মদ্যপ অবস্থায় ইভটিজিং করার দায়ে আটক করা হয়েছে বলে আমি শুনেছি, তবে তারা ছাত্রলীগের কেউ কিনা তা আমার জানা নেই, এখানে কেউ ছাত্রলীগের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে দলগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে”।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান প্রতিবেদককে  বলেন,‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়  প্রশাসন  যেকোন ধরনের অন্যায়, অপতৎপরতা এবং অপকর্ম প্রতিরোধে যেভাবে জিরো টলারেন্স নীতি দেখিয়ে আসছে তার ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে প্রক্টর হিসেবে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ধরনের  অন্যায়, অপতৎপরতা এবং অপকর্মকে বিন্দু মাত্র স্থান হবেনা।  তারা যত শক্তিশালীই হোক তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স/এন