ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

আহ ওরা আমার খালেকরে মাইরা ফেললো ওরা  আমার খালেককে বাঁচতে দিলো না                                     ……বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২ ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আহ ওরা আমার খালেকরে মাইরা ফেললো ওরা  আমার খালেককে বাঁচতে দিলো না
                                    ……বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

আটপাড়া (নেত্রকোণা) থেকে মো: আসাদুজ্জামান খান সোহাগ- আগামী কাল বৃস্পতিবার নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশের সংবিধান প্রনেতাদের অন্যতম সদস্য, জাতির পিতার একান্ত বিশ্বস্ত আব্দুল খালেক এমপি’র ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।

মরহুমের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামীকাল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল নেত্রকোণা জেলা ও নিজ উপজেলা আটপাড়ায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন।

১৯৭৫ সালের ঐ দিনে (২৪ ফেব্রয়ারী) ভোর রাতে আততায়ীর গুলিকে তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। ২৩ ফেব্রæয়ারী ১৯৭৫ এর দিবাগত রাত্রে নেত্রকোণা মোক্তারপাড়া মাঠে এক্সিভিশন উদ্বোধন শেষে তিনি এক্সিভিশন মাঠ সংলগ্ন তাঁর নিজ বাসায় ফিরছিলেন। বাসার একবারে নিকটে এলে আততায়ীরা (রাত ১১ টা ৫৭ মিনিটে তাঁকে লক্ষ্য করে তিন দফা গুলি ছুড়ে। তাঁর পায়ে, মাথায় ও বুকে গুলি লাগে। গুলির শব্দে আশে পাশের মানুষ ও পাশেই এক্সিভিশন থেকে মানুষ ছুটে আসেন। তারা তাঁকে সাথে সাথে হাসপাতালে নেয়। এলাকার লোকজন মনে করেন মৃত্যু নিশ্চিত কওে আততায়ীরা পালিয়ে যায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ফেব্রæয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাঁকে ঢাকাতে ডেকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার গর্ভনর হবার জন্য বলেছিলেন। তখন নেত্রকোণা ছিল ময়মনসিংহ জেলার অধীনে একটি মহকুমা এবং বঙ্গবন্ধু বাকশাল শাসনের আওতায় প্রত্যেক জেলায় একজন গর্ভনর নিয়োগ করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

এম.পি মরহুম আব্দুল খালেক বঙ্গবন্ধু’র খুব আস্থাভাজন ছিলেন। খালেক সাহেবের মৃত্যুর খবর শুনে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার প্রিয় খালেককে ওরা মেরে ফেলেছে।’ তিনি ১৯৪৯ সালে নেত্রকোণা কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রথম জিএস নির্বাচিত হন। পরবর্তী পর্যায়ে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬৬ ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যত্থান আন্দোলনে নেত্রকোণায় অগ্রণী সৈনিকের ভূমিকা পালন করেন।

তিনি নেত্রকোণা জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রদেশিক গণ-পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে নির্বাচনে তিনি পুনঃরায় এমপি নির্বাচিত হন। মরহুম আব্দুল খালেক নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া উপজেলার দুওজ ইউনিয়নের চারিগাতীয়া গ্রামের কৃতি সন্তান।

তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪তম স্বাক্ষরকারি ব্যক্তি। মরহুম আব্দুল খালেক সাহেবের সুযোগ্য পুত্র আটপাড়া উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মো: খায়রুল ইসলাম কান্না জড়িত কন্ঠে দেশ বাসীর নিকট মরহুম পিতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং পিতার আদর্শকে লালন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে জনগণের পাশে থেকে সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

স/বি