ঢাকামঙ্গলবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

‘আস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন ইসি বদ্ধ পরিকর’

admin
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৭ ১২:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব ধরনের অনাস্থা, অবিশ্বাস থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বর্তমান কমিশন বদ্ধ পরিকর। এক্ষেত্রে কারো কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাবনা সার্কিট হাউজে পাবনার দুই উপজেলার উপ-নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কবিতা খানম বলেন, ‘অবাধ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন। সবার অংশগ্রহণে সুশৃঙ্খল নির্বাচনী পরিবেশ দেখতে চায় নির্বাচন কমিশন।’

সবার সহযোগিতায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালোর সভাপতিত্বে ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (রাজশাহী অঞ্চল) শুভাষ চন্দ্র, র‌্যাব-১২ পাবনার সহকারী পরিচালক থোয়াই মারমা, জেলা আনসার অ্যাডজুটেন্ট সৈয়দ মোস্তাক হাসান, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই এর যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুল হক, পাবনা প্রেসক্লাবের সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন, অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল আকতার, সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুল হক, ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিন্নাত আরা জলি, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নুর মাসুম বগা, সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শাজাহান, সুজানগর উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদের রোকন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস ও মাহমুদা বেগম প্রমুখ।

সভায় সুজানগর উপজেলা পরিষদের বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু অভিযোগ করে বলেন, ‘তার বাড়িতে হামলা করে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সাধারণ মানুষের ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ নেই। তার নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে, প্রচারণায় বাধা দিয়ে মাইক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’

আবারও প্রহসনের নির্বাচন হতে পারে বলে আশঙ্কা করে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান চুন্নু হাজারী।

আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদের রোকন বলেন, ‘সুজানগরে এখনও শান্তিপূর্ন পরিবেশ বজায় রয়েছে। বিএনপি প্রার্থীর প্রচারনায় বাধা দেওয়ার অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। চুন্নু হাজারীর একটা রেওয়াজ রয়েছে, ভোটের দিন তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেন।’

নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল কাদের রোকন।

পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বলেন, ‘পাবনার দুই উপজেলার উপ-নির্বাচন ঘিরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। যখন যে প্রার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ পাচ্ছি তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চায়।’

ভাল একটি নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করেন পুলিশ সুপার।

তিনি আরও জানান, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রতি কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ অফিসার, ৩ জন কনস্টেবল, ১৪ জন আনসার সদস্য ও তাদের মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ পুলিশ থাকবে। অতিরিক্ত র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি জেলা পুলিশের ৯ জন কর্মকর্তা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত থাকবে। পুলিশ নিরপেক্ষতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করবে।

প্রসঙ্গত, আগামী ৬ মার্চ কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীন দেশের ১৮টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় ভিত্তিতে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে গাইবান্ধা-১ আসনে উপ-নির্বাচন।

স/শা