হিলি(দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি স্থল বন্দরের রাস্তাঘাটে আর্বজনা, কাদা ও ধুলোয় অতিষ্ট হয়ে পড়েছে যাতায়াতকারী ও এলাকাবাসী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সড়কে যাতায়াতকারী কর্মব্যস্ত মানুষ নাকে রুমাল, কাপড় চেপে বা মাস্ক মুখে দিয়েও ধুলা দূষন থেকে রেহাই পচ্ছেনা। ফলে বেড়ে গেছে শ^াসকষ্টজনীত রোগ। ধুলোর এই ভোগান্তির মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে পৌরসভার হস্তক্ষেপ কামণা করছে ভূক্তভোগীরা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সিপি রোড থেকে ডাঙ্গাপাড়া এবং রাজধনীর মোড় থেকে চন্ডিপুর পর্যন্ত ধুলোর প্রকব বেশি। সেই সাথে পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তার পার্শ্বে ড্রেনের কাদা সহ আবজর্না তুলে রাখা সহ ড্রেন নির্মানের জন্য মাটি খননের ফলে দ্বিগুণ বাড়িয়েছে ধুলা দুষণ। বন্দরের এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলি এক রাশি করে ধুলো উড়িয়ে চলাচল করছে। এতে নাক চেপে ধরে যাতায়াত করে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। একজন শিক্ষার্থী জানান, এমনিতেই তার এলার্জির সমস্যা আছে। এই ধুলোর কারণে সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তাছাড়া ধুলোর এই সমস্যার কারণে পরনের জামাকাপড় একদিনের বেশি ব্যবহার করা যায় না। এ ছাড়াও রাস্তার পার্শ্বে হোটেল গুলোতেও খাবার সব সময় ঢেকে রেখেও ধুলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্্র সুত্রে জানা যায় শীতে শ^াসকষ্টজনীত রোগীর সংখ্যা বেশি হয়। তার উপর বন্দরের এই রাস্তাঘাটের ধুলা দূষণের কারণে রোগীর সংখ্যা আরো বেড়ে গেছে। শ^াসকষ্টজনীত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে রোগীদের সব সময় মাস্ক ব্যাবহার এবং শীতকালিন সবজী ও প্রচুর পানি পান করাও পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত জানান, জয়বায়ু উন্নয়ন প্রকল্প থেকে পৌরসভার পরিকল্পিত ড্রেন নির্মানের জন্য খোড়াখুড়ি কাজ চলছে। ফলে স্বাভাবিকভাইে একটু ধুলোর প্রকোপ বেড়ে গেছে। পৌর সভার নিজস্ব কোন গাড়ী নেই, ১টি ভটভটি দিয়ে মাটি আবর্জনা সরানোর কাজ চলছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল তাছাড়া আমাদের পৌরসভাটিতে পানি ছিটানোর কোন যন্ত্রও নেই। আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গাড়ীসহ ওই যন্ত্রের জন্য আবেদন করেছি।
স/শা

