ঢাকারবিবার , ৬ আগস্ট ২০১৭
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

আউশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ও প্রান্তিক কৃষককে প্রণোদনা

admin
আগস্ট ৬, ২০১৭ ৭:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

চলতি খরিপ-১/২০১৭-১৮ মৌসুমে উফশী আউশ ও নেরিকা আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলার প্রায় ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে ৭২০০ জন কৃষককে সর্বমোট ১ কোটি ৫ লক্ষ ৭২ হাজার ৮২০ টাকা সরকার প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করেছেন।
এর মধ্যে ৬৫০০ জন কৃষককে উফশী আউশের জন্য ৮৮ লক্ষ ৭ হাজার টাকা ও ৭০০ জন কৃষককে নেরিকা আউশের উৎপাদন বৃদ্ধির নিমিত্তে ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার এবং কুমড়া জাতীয় সবজির মাছি পোকা দমনে সেক্স ফেরোমন ট্র্যাপ ব্যবহারের জন্য ৪ লক্ষ ৩২০ টাকার প্রণোদনা প্রদান করা হয়। উফশী আউশ প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় প্রতি কৃষক এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে ৫ কেজি উফশী জাতের বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া সার, ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার ও সেচ সহায়তার জন্য ৪০০ টাকা এবং আউশ ফসলে নেরিকা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি এক বিঘার ১০ কেজি নেরিকা জাতের বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া সার, ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার, আগাছা নাশক ও সেচ সহায়তার জন্য ৮০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া কুমড়া জাতীয় সবজির মাছি পোকা দমনে সেক্স ফেরোমন ট্র্যাপ ব্যবহারের জন্য জেলার ১৩টি উপজেলার মতো ৭টি উপজেলায় ৪ লক্ষ ৩২০ টাকা ব্যয়ে ১৬০টি প্রদশর্নী প্লট স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, সারা জেলায় প্রায় ২৬৮৭৫ হেক্টর জমি আউশ আবাদের উপযোগী। বিগত কয়েক বছরে একটানা প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বন্যার ফলে গত বছর মাত্র ১৬১৪০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদ করা হয়। তিনি আরও জানান, বর্তমান মৌসুমে জেলার ৮টি উপজেলায় ২৬৬১৪ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা থেকে ৬৬৮৪২ মেট্রিক টন চাউল উৎপন্ন হওয়ার আশা করেছিল সংশ্লিষ্ট বিভাগ। কিন্তু সেখানে আবাদ করা হয় মাত্র ২৩৬০০ হেক্টর অর্থাৎ ৩০১৪ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। ফলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়। তবু এ বছর উফশী ও নেরিকা আউশের ফলন সর্বত্রই ভালো হয়েছে। তাই আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কিংবা হঠাৎ কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে আউশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি পর্যায়ে চলে আসবে বলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ আশা করছেন।