স্টাফ রিপোর্টার : অপহরনের দীর্ঘ ১০ মাস পরেও অর্চনা রানী বর্মন (১৩) নামের একটি শিশু উদ্ধার হয়নি। এই শিশুটি জীবিত আছে না তাকে মেরে ফেলা হয়েছে তাও কেউ জানে না। মেয়েটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এই মেয়েটিকে টংগীর জাহান পাবলিক স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে এলাকার নাইম মিয়া (২০) নামের এক বখাটে ছেলে তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। বখাটে নাইম মিয়ার পিতার নাম তারা মিয়া। স্থায়ী সাং-আচারগাও, নাতপাড়া, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ। অর্চনার পিতা-স্বপন চন্দ্র বর্মন মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য আইনানুগ সহযোগীতা চেয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে আজ তিনি পাগলের মতো ঘুরছেন।
মেয়েটি অপহরনের পর পরই তিনি টংগী থানা পুলিশের দারস্থ হয়েছিলেন থানার ডিউটি অফিসার টাকার বিনিময়ে এই দুঃখজনক ঘটনাটিকে একটি নিখোঁজ হওয়ার জিডি (নং-১১৩২-২২/০৩/১৭) লিখে তার দায়িত্ব শেষ করেন। এ ব্যাপারে থানার পিএসআই জহিরুল ইসলাম (০১৭৩১৭১৪৯৬৬) কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তিনিও কোন দায়িত্ব পালন করেন নি। অপহৃত শিশু অর্চনা রানী বর্মন এর হতভাগ্য পিতা স্বপন চন্দ্র বর্মন কেদেঁ উঠে মানবাধিকার কর্মীর কাছে বলেন, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বলে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। এ ব্যাপারে মানবাধিকার কর্মী জোসনা সরকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান অর্চনার পিতার অভিযোগটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি মেয়েটির গ্রামের বাড়ী ময়মনসিংহের নান্দাইলের আচাঁরগাও পরিদর্শন করি। এবং অপহরনকারীর বাড়ীতেও পৌছি। সেখানে অপহরকারী নাইম মিয়াকে নিরুদ্দেশ দেখতে পাই। তার মা ও পলাতক। জোসনা সরকার জানান অর্চনাকে অবিলম্বে উদ্ধারে র্যাব/পুলিশের সহযোগীতা জরুরী।

