ঢাকাসোমবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

ফুলপুরে সারের ঘাটতি না থাকায় ন্যায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন কৃষক

চমক নিউজ, ময়মানসিংহ
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ফুলপুরে সারের ঘাটতি না থাকায় ন্যায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন কৃষক

ময়মনসিংহ ফুলপুর প্রতিনিধি মোঃকামরুল ইসলাম খান- ময়মনসিংহের ফুলপুরে চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের মজুদ আছে। ৭ সেপ্টেম্বরে উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ইউরিয়া ৪৩৯.২০ মে. টন, টিএসপি ৩৮.৫০ মে. টন, এমওপি ২৪.৭৫ মে. টন ও ডিএপি ৪৯.২ মে. টন সার মজুদ আছে।

এছাড়া ইতোমধ্যে সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দকৃত ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া সার উত্তোলনের জন্য ডিলাররা টাকা জমা দিয়েছেন। চলতি আমন মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২ হাজার ৩২৫ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ২২ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। যার ৯৫% জমিতে বেসাল ডোজসহ ইউরিয়া সারের উপরি প্রয়োগ করা হয়েছে।

কাজেই এই মুহূর্তে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের চাহিদা কৃষক পর্যায়ে কমে এসেছে। কিছু জমিতে পরবর্তী দ্বিতীয় কিস্তিতে ইউরিয়া সারের চাহিদা থাকলেও চাহিদার বিপরীতে এসব সার পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে যাতে কেউ সার বিক্রি না করতে পারেন সেজন্য বিসিআইসি ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতাদের বিক্রয় কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। বর্তমানে জোরালো মনিটরিং, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে সার বিক্রয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রয়ের কোন সুযোগ নেই।

এরপরও যদি এ ধরনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা খুচরা সার বিক্রেতার লাইসেন্স বাতিলসহ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জানা যায়, যায়যায়দিনে সারের ক্রাইসিস বিষয়ে একটি নিউজ প্রকাশিত হলে এর প্রেক্ষিতে তদন্তে নামা হয়। পরে মোকামিয়া গ্রামের কৃষক এখলাস উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, কাতুলী গ্রামের নাজিম উদ্দিন ও ছট্টু মিয়া অতিরিক্ত মূল্যে সার ক্রয়ের যে তথ্য ওখানে ছিল তা সঠিক নয় বলে জানা যায়।

মোকামিয়া গ্রামের কৃষক জহিরুল ইসলামের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমূদ ও ফুলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আলমামুন মোবাইলে কথা বলে এ তথ্য জানান। তারা জানান, জহিরুলের ভাতিজা এখলাস উদ্দিনসহ তারা কেউ আমন মৌসুমে কোন প্রকার রাসায়নিক সার ক্রয় করেননি। এছাড়া কাতুলী গ্রামে নাজিম উদ্দিন ও ছট্টু মিয়া নামে কোন কৃষক পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ সারের মজুদ আছে। সার নিয়ে কোন গুজবে আপনারা কান দিবেন না।

স/বি