ঢাকাবুধবার , ১০ আগস্ট ২০২২
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ালো বাংলাদেশ

রাহুল রাজ
আগস্ট ১০, ২০২২ ৯:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ালো বাংলাদেশ

চার’শতম ম্যাচে বোলারদের নৈপুন্যে ১০৫ রানের বড় জয় তুলে লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পেল বাংলাদেশ। অনেক দিন পরে মুস্তাফিজুর একদিনের ম্যাচে চার উইকেট তুলতে পেরেছেন। মূলত টাইগারদের জয়ের কাজটি সহজ করে দেন বাংলাদেশ থেকে উড়ে যাওয়া এবাদত হোসেন। ওয়েসলি মাধেভেরে (১) এবং সিকান্দার রাজাকে (০) সাজঘরের পথ চেনান তিনি। এর পরে আর জিম্বাবুয়ে মাথা তুলে দাঁড়াবার সুযোগ পায়নি। এই ম্যাচ দিয়েই ওয়ানডেতে অভিষিক্ত এবাদত হোসেন।

এর আগে নিজেদের এক’শতম ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে, দুই’শতম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছিল লাল-সবুজের দল। তিন’শতম ম্যাচে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হেরে যায় মাশরাফিরা। এবার অনিশ্চয়তার চার’শতম ম্যাচে জয় পেলো তামিম সেনারা।

২৫৬ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নড়বড়ে জিম্বাবুয়ে। প্রথম দুই ওভারেই যথাক্রমে দুই ওপেনার তাকুদজাওয়ানাশে কাইতানো (০) এবং তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে (১) ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ।

আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় উল্লম্ফনের দিনে উজ্জ্বল ছিলেন তাইজুল ইসলামও। ইনিংসের নবম এবং ১৪তম ওভারে যথাক্রমে জিম্বাবুয়ের প্রথম ম্যাচের জয়ের নায়ক ইনোসেন্ট কাইয়া (১০) এবং টনি মুনইয়োঙ্গাকে (১৩) ফিরিয়েছেন তিনি।

সপ্তম উইকেট জুটিতে ক্রিজে থিতু হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ক্লাইভ মাদান্দে এবং লুক জংয়ে, তাদের সেই জুটি থেকে আসে ২৮ রান। এই জুটিতে ভেঙে ব্রেক থ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২৩তম ওভারে আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন মুস্তাফিজ। ওভারের তৃতীয় বলে মাদান্দে (২৪) এবং শেষ বলে ব্র্যাড ইভান্সকে (২) ফেরান এই বাঁহাতি পেসার।

৮৩ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে যখন পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখনই ক্রিজে দাঁড়িয়ে যান দলটির লেজের সারির দুই ব্যাটসম্যান রিচার্ড এনগারাভা এবং ভিক্টর নিয়াউচি। বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে শেষ উইকেট জুটিতে ৫৮ বলে ৬৮ রান তোলেন তারা। তবে এই জুটিতে শেষ পর্যন্ত হারের ব্যবধান কম হয়েছে। ৩৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে নিয়াউচিকে বোল্ড করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মুস্তাফিজ। ৩২.২ ওভারে ১৫১ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছে ২-১, পরে ওয়ানডে সিরিজও হারলো একই ব্যবধানে। প্রথম দুই ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে অন্তত বড় পুঁজি পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সেটাও ছিল না। গতকাল হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান তোলে বাংলাদেশ।

আগের দুই ম্যাচের মতো সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও টস ভাগ্য পক্ষে আসেনি বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিংয়ে অবশ্য দুই ওপেনারের ব্যাটে শুরুটা মন্দ ছিল না। তামিম ইকবাল এবং এনামুল হক বিজয় মিলে ইনিংসের প্রথম ৮ ওভার থেকে ৪০ রান তুলে ফেলেছিলেন। এরপরই শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল। ৪১ থেকে ৪৭, এই ৭ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান তামিম (১৯), নাজমুল হোসেন শান্ত (০) এবং মুশফিকুর রহিমকে (০) হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

এক প্রান্তে আসা-যাওয়া চলতে থাকলেও অন্য প্রান্তে বিজয় ছিলেন অবিচল। ঘরোয়া ক্রিকেটে রেকর্ড সংখ্যক রান করে দলে সুযোগ পাওয়া বিজয় ভালো কিছুর ইঙ্গিত দেন। রিয়াদ ধীরগতিতে ব্যাট চালালেও বিজয় খেলছিলেন সময়ের দাবি মিটিয়ে। ৪৮ বলে তুলে নিয়েছিলেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক। তবে বেশি চালিয়ে খেলতেই শেষতক উইকেট খোয়াতে হয়েছে তাকে। ৬ চার এবং ৪ ছয় সহযোগে ৭১ বলে ৭৬ রান করেন বিজয়।

এদিন পঞ্চম উইকেটে তাদের জুটি থেকে আসে ৪৯ রান। তবে ইনিংসের ৩৫তম ওভারে দলীয় ১৭৩ রানে মাহমুদউল্লাহ রিচার্ড এনগারাভার বল স্টাম্পে টেনে এনে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ফেরার আগে ৬৯ বলে ৩ চারের সাহায্যে ৩৯ রান করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

এর পর বেশিক্ষণ টেকেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ২৪ বলে ১৪ রান করে এই অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন। ম্যাচ সেরা আফিফ হোসেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতকের সঙ্গে ৮১ বলে অপরাজিত ৮৫ রানে লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। সিরিজ সেরা সিকান্দার রাজা।

স/এষ্