ঢাকাশুক্রবার , ১৪ জুলাই ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

মাগুড়ার ধোয়াইল গ্রামে কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ সীমাহীন

admin
জুলাই ১৪, ২০২৩ ৭:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মাগুড়ার ধোয়াইল গ্রামে কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ সীমাহীন

মো: মিরেজুল ইসলাম, মাগুড়া ।। মহম্মদপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধোয়াইল গ্রামের প্রায় ১ হাজার মানুষকে একটিমাত্র গ্রামীণ কাঁচা রাস্তার কারণে বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গ্রামে চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ সীমাহীন।

মহম্মদপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রগামী এক আদর্শ গ্রাম ধোয়াইল। এই গ্রামে চলাচলের প্রধান রাস্তাটি এখনো কাঁচা।

রাস্তা দিয়ে গ্রামে যাওয়া আসা করতে গিয়ে বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিনই গ্রামবাসীকে ফেলতে হয় দীর্ঘশ্বাস। সারা দেশে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ঘটলেও তার ছোঁয়া এই গ্রামে লাগেনি। যে কারণে প্রতিদিন ১ হাজার গ্রামবাসীকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

উপজেলার অন্যতম প্রাচীন এবং বৃহত্তম এই গ্রামটিতে রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি আলিয়া মাদ্রাসা, তিনটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ১৯টি মসজিদ ও একটি বাজার। এতগুলো প্রতিষ্ঠান এবং বিশাল জনগোষ্ঠীর চলাচলের জন্য একটিমাত্র রাস্তা থাকলেও তা চলাচলের প্রায় অযোগ্য।

স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই এ গ্রামের মানুষ হেঁটে এবং নৌকায় যাতায়াত করতেন। কয়েক বছর হলো গ্রামের মানুষ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ও চেয়ারম্যানের সাহায্যের প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে মাটি দিয়ে ভরাট করে রাস্তা তৈরি করেন।

কিন্তু একটু বৃষ্টি হলেই এ রাস্তা দিয়ে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। তবুও প্রয়োজনের তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে প্রতিনিয়ত পড়ছে গ্রামবাসী।

মো. সাখায়েত ইসলাম জানান, ধোয়াইল কানার ব্রীজ সংলগ্ন হতে পূর্ব দিকে আয়না শিকারীর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে । এখন এই সড়কটি যদি কংক্রিটের রাস্তা করা হয় তবেই জনগণের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে।

ধোয়াইল গ্রামের আলহাজ ফিরোজ আহমেদ মাস্টার ও মোসারেফ মওলানা বলেন, আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বসবাস করি, যার কারণে স্বাধীনতার ৫০ বছর হলেও গ্রামীণ এই অবহেলিত রাস্তাটিতে এখন পর্যন্ত আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া লাগেনি।

জরুরি মুহূর্তে বয়স্ক মানুষ ও রোগীকে কাঁধ করে পাকা সড়কে নিয়ে যেতে হয়। চলাচলের জন্য আর কোনো রাস্তা নেই। এতে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষাকালে একটু হালকা বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাদামাটি ও পিচ্ছিলসহ বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়।

দিনের বেলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছু যানবাহন চলাচল করলেও রাতে কোনো যানবাহন চলাচল করে না। জরুরি মুহূর্তে কোনো রোগী অথবা গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে পড়তে হয় নিদারুণ কষ্টে।

স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অনেকবার জানানোর পরও রাস্তাটি এখনো বেহাল পড়ে আছে। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার দাবি জানান তারা।

ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। এই রাস্তা সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ না থাকায় তাৎক্ষণিক কিছু করতে পারছি না। ব্যক্তিগতভাবে কিছু করলে করতে হবে।

স/এষ্