ঢাকাশনিবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

কুয়াকাটা সৈকতে শামুক-ঝিনুকের জায়গায় উঁকি দিচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্য

admin
জানুয়ারি ৭, ২০২৩ ৮:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুয়াকাটা সৈকতে শামুক-ঝিনুকের জায়গায় উঁকি দিচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্য

মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার,বরিশাল॥ সাগরকন্যা কুয়াকাটা। দেশের সমুদ্র উপকূলীয় একটি সৌন্দর্যের লীলাভূমি। দক্ষিণাঞ্চলের এই পর্যটন কেন্দ্রটিতে প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে ভ্রমণে আসে লাক্ষাধিক পর্যটক। সূর্য উদয় ও অস্ত এক জায়গায় দাড়িয়ে দেখা যায় বলে, কুয়াকাটা সৈকতের বেশ খ্যাতি রয়েছে। কিন্তু সব সৌন্দর্য, প্রাকৃতিক ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্যের জীবনযাত্রা, সমুদ্রের প্রকৃতি আজ হুমকির মুখে। এর অন্যতম কারণ, প্লাস্টিক বর্জ্য।

সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে দু’দিকে প্রায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যত্রতত্র এসব বর্জ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তাকালেই চোখে পড়ে, মিনারেল ওয়াটার, জুস, কোমল পানীয় বোতল, প্লাস্টিকের পলিব্যাগসহ নানা কিছু। সৈকতে এসব প্লাস্টিক বর্জ্য কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

এমনকি বিধি-নিষেধ জারি করেও থামছে না পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ। প্লাস্টিক দূষণ এখন শহরের গণ্ডি পেড়িয়ে সমুদ্র সৈকতে পৌঁছেছে। এসব বর্জ্য ঢেউয়ের সঙ্গে যাচ্ছে সমুদ্রের পানিতে। ফলে সমুদ্র উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পর্যটন শিল্প মারাত্মক হুমকির মুখে পরতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

প্রকৃতিতে এমন প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য বিড়ম্বনা অপার সম্ভাবনাময় স্থানটির সুনাম নষ্ট করছে। এছাড়াও এসব বর্জ্য সমুদ্র এলাকার জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ও কচ্ছপের বংশ বিস্তার এবং প্রজনন কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ সৈকতটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংস্থা বা লোকবল নেই। ফলে কিছু মাঝে মধ্যে কিছু সংগঠনের ফটোশেসনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে সৈকত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।

র অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা টোয়াক প্রসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, সৈকত পরিস্কার রাখার জন্য প্রায় ১০-১২ টি পেশার ব্যবসায়ীদেরকে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের মাধ্যমে ট্রেনিং করেছি। টোয়াকের উদ্যোগে প্রায় দুই’শ ময়লা রাখার ডাস্টবিন বিভিন্ন পয়েন্টে দিয়েছেন।

টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, সৈকতে ময়লা আবর্জনা না ফেলার জন্য বারবার মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। এছাড়াও সপ্তাহে একবার আমাদের নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে।

কুয়াকাটা পৌর মেয়র মো.আনোয়ার হাওলাদার জানান, সৈকত পরিস্কার করার জন্য পৌরসভা সার্বিকভাবে কাজ করছে। কয়েকটি টিম সকাল বিকেল ময়লা পরিষ্কার করছে। অসচেতন কতিপয় পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের কারণে এই সমস্যাটা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

স/অ