ঢাকাশনিবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  1. Bangla
  2. chomoknews
  3. English
  4. অপরাধ
  5. অভিনন্দন
  6. আমাদের তথ্য
  7. কবিতা
  8. কর্পরেট
  9. কাব্য বিলাস
  10. কৃষি সংবাদ
  11. খুলনা
  12. খোলামত
  13. গল্প
  14. গাইড
  15. গ্রামবাংলার খবর
আজকের সর্বশেষ

উত্তরার আজমপুর রেলগেটে অটোরিক্সার চাঁদাবাজি চরমে

চমক নিউজ বার্তা কক্ষ
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩ ৪:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

উত্তরার আজমপুর রেলগেটে অটোরিক্সার চাঁদাবাজি চরমে

মো: রফিকুল ইসলাম মিঠু, উত্তরা ঢাকা।। রাজধানী উত্তরার আজমপুর রেলগেটে অটোরিকশা ও মিনি অটোরিক্সার চাঁদাবাজ চলছে রমরমা।

সিরিয়ালের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে শ্রমিক লীগ নেতা মোখলেস ও তাঁর দল। যানজটে ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানা ও দক্ষিণখান থানা বর্ডার লাইন হচ্ছে আজমপুর রেল গেট। কসাই বাড়ি থেকে আমজপুর রেলগেট এবং আজমপুর রেল গেট থেকে উত্তরখান মাজার রোডে চলে প্রায় দুই শতাধিক মিনি অটোরিক্সা।

প্রতিটি মিনি অটোরিক্সা থেকে সিরিয়ার মেনটেনের নামে প্রতিদিন দশ টাকা করে মাসে ৬০,০০০ টাকা এবং আজমপুর রেল গেট থেকে উত্তরাখান মাজার রোডে চলাচল হাজারের অধিক, প্রতিটি অটোরিক্সা থেকে নেওয়া হয় ৪০ টাকা মাসে মোট ৯৬০,০০০ টাকা আদায় করা হয়।

আর এই চাঁদা বানিজ্যের মূল হোতা শ্রমীকলীগ নেতা মো: মোখলোস। আর এই ভাবে চাঁদাবাজিতে তাঁর মাসিক আয় ১০,২০,০০০ টাকা।

এলাকাবাসির সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল ডি. এম শামীমের অত্যান্ত আস্থা ভাজন লোক হেলাল ও বিপ্লব নতুন করে টোকেন বানিজ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। হেলাল বলেন স্টিকার দিয়ে সিরিয়াল ঠিক রাখছি। জানজট কমানোর জন্য এই ব্যাবস্থা।

তিনি আরো বলেন সমাজ সেবা করছি। আপনি কে প্রশ্ন করার? অটোরিকশা চালক বলেন আমাদের এখানে অনেক চাচা / ভাতিজা সাংবাদিকরা আসে চা খাওয়ার জন্য কিছু নিয়ে যায়।

আপনার সমস্যা হলে আপনিও আইসেন ব্যাবস্থা কইরা দিমুনি। এই অটোরিকশা গুলা দৈনিক যে পরিমান বিদ্যুৎ অপচয় করছে তাতে করে জাতীয় সমস্যা হচ্ছে।

নামপ্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক প্রাইভেট গাড়ির ড্রাইভার বলেন, চার রাস্তা সংযোগ রাস্তা এটি। এমনিতেই রাস্তা সুরু তাঁর উপর দেওয়ান সিটির রোডে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে অটোরিক্সাগুলো যার কারনে যানজট লেগেই থাকে হরহামেশাই। সময় নষ্ট হয় জরুরি কোন কাজ বা অ্যাম্বুলেন্সে কোন রোগী থাকলে তো রোগীর তো দফা রফা হয়ে যাবে।

জনপ্রতিনিধীরা কি দেখে না নাকি। স্কুল পুড়ুয়া বাচ্চার এক অভিভাবক বলেন, এলোপাথির অটোরিক্সার কারণে যানজট লেগেই থাকে, যার জন্য বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছাতে খুব সমস্যা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে অটোরিক্সার সেন্টিগ্রেডের লাইন ব্যানিজ্যের নিজ্যের অন্যতম হোতা মোখলেস উক্ত বলেন এ রিকশা গুলো যদি অবৈধ হয় তাহলে আমদানি কি আমরা করছি।

আগে খেয়ালছিল না। পারলে সারাদেশে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকগুলোকে উঠিয়ে দিলে আমরা এই কাজ না করে অন্য কিছু করবো।

এলাকার একাধিক অটোরিক্সা চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি লাইনম্যান দেলোয়ার ও তাঁর কিছু সহযোগীদের দিয়ে এই লাইন চাঁদাবাজির বানিজ্য পরিচালনা করেন। টাকা ছাড়া কেউ অটোরিক্সা চালাতে পারেনা কসাইবাড়ি,আজমপুর রেল লাইন ও মাজার রোডে। টাকা দিতে দেরি হলে নানা হুমকি দেয়।

অবৈধ অটোরিক্সার এই সিন্ডিকেট সম্পর্কে জানতে চাইলে এবিষয়ে দক্ষিণ খান থানার ওসি অপারেশন আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আমি এসেছি অল্প কিছু দিন হয়। এখনো পুরো এলাকা চিনতে পারিনি। তবে জনগনের ভোগান্তি হয় এমন বিষয় গুলোতে অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

স/এষ্