বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স (বিএএফ) সদস্যদের চিকিৎসা সম্পর্কিত যাবতীয় সুবিধা দিতে চলেছে ভারতের কোচিতে অবস্থিত অমৃতা ইন্সিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (অমৃতা হাসপাতাল)। তবে শুধু বিএএফ’র সদস্যরাই নয়, তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা এবং সাবেক বিএএফ সদস্যদেরও এই সুবিধা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস’এর ডিরেক্টর জেনারেল অফ মেডিকেল সার্ভিসেস (ডিজিএমএস) মেজর জেনারেল এস.এম.মোতাহার হোসেন এবং কোচির অমৃতা ইন্সিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসের মেডিকেল ডিরেক্টর ড. প্রেম নায়ারেরর মধ্যে এই সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল রোগীদের যত্ন নেওয়া, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা বিনিময়। চুক্তি স্বাক্ষরকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডিফেন্স উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল হামিদ।

ড. প্রেম নায়ার জানান, ‘এটি দক্ষিণ এশিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি অসাধারণ উদাহরণ। এটা শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ করে তুলবে তাই নয়, দুই দেশের মানুষ যারা একই ঐহিত্য ও সংস্কৃতির অংশীদার সেই সম্পর্ককেও আরও সুদৃঢ় করবে’।

ড. নায়ার বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সের সদস্যদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে আমরা সর্বাঙ্গীন চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছি। আমরা অমৃতা হাসপাতালে বিএএফ’এর সদস্যদের ভর্তি করে চিকিৎসা পরিষেবা দেব। এছাড়াও বিএএফ’র চিকিৎসক, নার্স এবং প্যারামেডিকেলদের আমাদের এখানে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে’।

বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস’এর মেজর জেনারেল এস.এম.মোতাহার হোসেন জানান, ‘এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ আরও কাছাকাছি আসবে। এমনকি বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সের সদস্যরা অমৃতা হাসপাতালে স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট ফ্যাসিলিটি পাবে। এছাড়াও আমরা ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে টেলিমেডিসিন ও টেলি-রেডিওলোজি সুবিধা চালু করতে চলেছি, এর মধ্যে দিয়ে অমৃতা হাসপাতালের সঙ্গে আমরা সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করতে পারবো। এতে অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে’।

স/এষ্

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন