এ.কে.আজাদ(লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধী):
লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলার মাতাব্বর নগর ঘাট এক কিঃমিঃ ভাঙ্গনরোধ নির্মানের বরাদ্ধকৃত ৪৮,০০০০০০০(আটচল্লিশ কোটি) টাকা ব্যায়ে নির্মিত কাজে আনফিট বালু দিয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিনে ডগইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিওয়ার্কস লিঃ সোনা কান্দা বন্দর নারায়নগঞ্জ ওয়েষ্টান ইঞ্জিনিয়ার (প্রাঃ) লিঃ গত ০৬/০৬/২০১৬ইং থেকে বেড়িবাধের এই কাজটি শুরু করেন। ভয়াবহ বন্যার কারনে কাজ করতে না পেরে কিছুদিন স্থগিত থাকার পর পুনরায় গত ১২/০১/২০১৭ইং তারিখ থেকে কাজ শুরু করেন। কতদিনের মধ্যে কাজটি শেষ করা হবে জানতে চাইলে, লক্ষ্মীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী জানান, আগামী ৩০/০৪/২০১৭ইং তারিখের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা কিন্তু বিভিন্ন কারনে কাজটি শেষ করা সম্ভব হচ্ছেনা, তবে আগামী ৩০/০৬/২০১৭ইং তারিখের মধ্যে কাজটি স¤পন্ন হতে পারে। এক কিঃমি এই কাজটির রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে থাকা ওয়েষ্টান ইঞ্জিনিয়ার (প্রাঃ) লিঃ এর প্রতিনিধী মাসুদ রানা জানান, বেড়িবাধের কাজ দ্রুত গতিতে চলতে থাকলেও শতভাগ পরিক্ষীত বালু না পাওয়ার কারনে কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। মাতাব্বর হাট এলাকার সাধারন মানুষ জানান, যেই জাতীয় বালু দিয়ে বেড়িবাধের কাজ চলছে, তাতে ভাঙ্গনরোধ করা সম্ভব হবেনা। অপরদিকে বালু ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেটেরা ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানান, সচেতন এলাকাবাসী। সিন্ডিকেটের মধ্যে আলেকজান্ডার বাজারের বাহাদুর,রাসেল,হাজির হাটের জিহাদ,আল আমিন ও লুধুয়া বাজারের জামাল নিম্ম মানের বালু সরবরাহ করছে বলে জানান তারা। শুধু মাত্র ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নিম্ম মানের ঐ বালু সরবরাহ করে কাজ চালিয়ে মোটা অংকের অর্থ কামানোর ধান্দায় মেতে উঠেছে। এতেকরে দীর্গদিনের কমলনগরবাসীর স্বপ্নের বেড়িবাধ নির্মানের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে শতভাগ পরিক্ষিত বালু ব্যবসায়িদের বালু সাপ্লাই করতে দিচ্ছেনা ঐ সব ক্ষমতাধর বালু ব্যবসায়ি সিন্ডিকেট।অভিযোগ উঠেছে দিন-ভর পরিশ্রম করা লেবারদের পারিশ্রমিক নিয়ে। তারা জানান,দারিদ্রতা ঘোছাতে দিন-ভর পরিশ্রম করে নিয়মিত পেমেন্ট পায়না। সচেতন এলাকাবাসী মনে করছেন দির্ঘপ্রতিক্ষার পর বাজেট পাশ হয়েছে এই বেড়িবাধ নির্মানে। কোন অনিয়মই বর্দাস্ত করা হবে না। এ ব্যাপারে তারা শতভাগ পরিক্ষীত পাথর,বালু দিয়ে ১কিঃমিঃ বেড়িবাধ নির্মানের জোড়ালো দাবী জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

স/শা

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন