মাদক দিয়ে সাধারন মানুষকে বিপাকে ফেলে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা 

এম এ কাদের : বি-বাড়ীয়া জেলা নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মাহীন দীর্ঘ দিন যাবৎ গ্রামের সাধারণ সহজ-সরল মানুষকে মাদক দিয়ে বিপাকে ফেলে মামলার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা এমনি অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্বে । এব্যাপারে স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায় গত ২৮শে এপ্রিল শুক্রবার ধরমন্ডল বাজারে বিকাল সাড়ে চারটার সময় বিলালের দোকানের সামন থেকে ধরমন্ডল পুর্ব গ্রামের মৃত বজলু মিয়ার ছেলে মোঃঅলিল মিয়া(১৯)কে এস আই মাহীন ধরে নিয়ে যায় পুলিশ ফাড়িতে পরে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে, অলিলের পরিবার টাকা দিতে অস্বীকার করার পর,প্রায় দুই ঘন্টা পরে বাজারের কিছু সংখ্যক লোকজন ডেকে নিয়ে বলেন অলিলেরকাছে ১০০পিছ ইয়াবা ও একটি সোরা পাওয়া গেছে বলেন এস আই মাহীন। এই বিষয় নিয়ে জনতার মনে প্রশ্ন জাগে যে অলিল মিয়া ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। পরে দিন সকাল (শনিবার) ১১টায় অলিলের মা বি-বাড়ীয়া জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন । পুলিশ সুপারের নির্দেশে শনিবারে এ এসপি মনিরুজ্জামান মনির সরজমিনে বিষয়টি তদন্ত করেন, তদন্তকালে এলাকার অধিকাংশ লোকজন অলিলের ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করেন যে খলিল মাদক সেবন বা ব্যবসার সাথে জড়িত নহে।
ধরমন্ডল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন কিছু দিন পুর্বে আমার ইউনিয়নে অলিলের পক্ষে ও অপর পক্ষে মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং উভয় পক্ষে আহত ও নিহত হয় পরে দুটি পক্ষ মামলায় জড়িয়ে পরেন। তারই সুত্রধরে প্রতিপক্ষ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এস আই মাহীনকে দিয়ে এই কান্ড ঘটায়, আর ইহার নেপত্য দিচ্ছেন আমার প্রতিদন্দী সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ বাহার ইকবাল চৌধুরী। আর খলিলের বিষটা সম্পুন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট সেই ছেলে মাদক ব্যবসা বা সেবন তো দুরের কথা সে ধুমপানও করেনা। এবিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, আমি প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ও সরকারের কাছে অনুরোধ করছি যেন এব্যাপারে কঠোর ভুমিকা পালন করেন ও প্রকৃত দুষীদের আইনের আওতায় আনা হয়।
এব্যাপারে এস আই মাহীনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন অলিলকে সন্দেহ জনক ভাবে ধরে তাকে বাজার থেকে ফাড়িতে নিয়ে লোক সমাজের সামনে তাকে তল্লাশী করে তার কাছ থেকে ১শ পিছ ইয়াবা ও একটি সোরা পাওয়া যায়। নাসির নগর থানার অফিসার ইনচারজ মোঃ জাফরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মাদকসহ অলিলকে ধরমন্ডল পুলিশ ফাড়ি বুজিয়ে দেন,এবিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আর এদিকে এ এসপি মনিরুজ্জামান এর কাছে সরজমিন তদন্তর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এ বিষয়ে সরজমিনে গিয়েছিলাম অলিলের পক্ষে ও বিপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে এই বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে প্রকৃত দুষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
অলিলের পরিবার ও এলাকার বিশ^স্থ সুত্রে জানা যায় যে ২৮শে এপ্রিল শুক্রবার আনুমানিক দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে একই গ্রামের আরই মিয়ার ছেলে জাবেদ (২০)কে ২৫০ পিছ ইয়াবাসহ আটক করে এস আই মাহীন পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জাবেদ কে ছেড়ে দেয়। আর এই ইয়াবা দিয়ে অলিল কে পাষানো হয়েছে। প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ও সরকারের কাছে নির্দোষ অলিলের অবিলম্বে মুক্তির দাবীর জানান তার পরিবার। এস আই মাহীনের হাতে এলাকার সাধারন মানুষ দিনের পর দিন এমনি ভাবে হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে এলাকাবাসী এস আই মাহীনের হাতে মুক্তি চায় ।

স/এষ্

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন