রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদা সিফাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন ঢাকার তিন নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ।

রোববার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি মাহবুবুর রহমান জানান, বিচারক মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে এ তারিখ ঠিক করেন।

এ আইনজীবী জানান, রাষ্ট্রপক্ষে আলোচিত এ মামলায় ৩২ জনের মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন, সিফাতের স্বামী মোহাম্মদ আসিফ প্রিসলি, শ্বশুর হোসেন মোহাম্মদ রমজান, শাশুড়ি নাজমুন নাহার নজলী ও প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক জোবাইদুর রহমান। এদের মধ্যে আসিফ কারাগারে থাকলেও অন্যরা জামিনে।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় আইনজীবী হোসেন মোহাম্মদ রমজানের বাড়িতে মৃত্যু হয় গৃহবধূ ওয়াহিদা সিফাতের। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্দশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় মহানগরীর রাজপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন সিফাতের চাচা মিজানুর রহমান খন্দকার। প্রথমে সিফাত আত্মহত্যা করেছে বলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাবি করে। পরে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ মিলে বলে জানানো হয়।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আঘাতজনিত কারণে সিফাতের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।

বাদীপক্ষের আবেদনে গত ১২ জুলাই মামলাটি রাজশাহী থেকে ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়। গত বছরের ২৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী সুপার আহমেদ আলী চারজনের বিরুদ্ধে রাজশাহী মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

স/শা
print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন