কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ আর নেই। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটার দিকে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। ইন্নালিল্লাহে……রাজিউন।

টানা আড়াই মাস হাসপাতালজীবন শেষে সম্প্রতিবাসায় ফিরেছিলেন তিনি। বাসায় ফিরে ভালোইছিলেন। তবে শুক্রবার দুপুর থেকে তার শরীরের আবার অবনতি ঘটে। দ্রুত মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতঘোষণা করেন।

লাকী আখন্দের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এরশাদুল হক টিংকু, যিনি লাকী আখন্দকে নিয়মিত দেখভাল করছিলেন।

গুণী এই সংগীতজ্ঞ অনেক দিন ধরেই মরণব্যাধী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। সেখানে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছিল তার। একই বছরের জুনে আবারও থেরাপির জন্য ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে পরে আর তার সেখানে যাওয়া হয়ে উঠেনি।

পরে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে অধ্যাপক নেজামুদ্দিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।

স/ এষ্

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন

Power by

Download Free AZ | Free Wordpress Themes