মো.সাদের হোসেন বুলু, নবাবগঞ্জ : রাজধানীর ঢাকার নিকটবর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে গড়ে উঠেছে এস.এম অটো ব্রিক্স।

ধলেশ্বরী তীর ঘেঁসে গড়ে উঠা কৃষি ভিত্তিক অঞ্চল কৈলাইল ইউনিয়নের দৌলতপুর, মালিকান্দা ও নয়াকান্দা

নানান প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে যুদ্ধ করে শান্তশিষ্ট সাদা মনের মানুষেরা দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করছে এই অঞ্চলে। গ্রাম গুলোতে শিক্ষার আলো পৌছে গেছে অনেক আগেই। কালের প্ররিক্রমায় নদী ভাঙনের ফলে এ অঞ্চলের মানচিত্রের বার বার পরির্বতন হয়েছে। তারপরও মানুষ আশাহত হয়নি।বর্তমান সরকারের সময় উন্নয়নের ছোঁয়ায় গ্রামের ভিতর দিয়ে তৈরী হয়েছে কাঁচা ও পাকা সড়ক।

সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই এই এলাকায় গড়ে উঠেছে এস.এম অটো ব্রিক্স নামো একটি ইটের ভাটা। ফলে ইটভাটার কাজে ব্যবহারিত নিষিদ্ধ নসিমন ও মাহেন্দ্র গাড়ী চলাচলের কারণে রাস্তা গুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে দৌলতপুর ভায় ঢাকা সড়ক।

অন্যদিকে জনবসতি এলাকা ও ফসলী জমির পাশে গড়ে উঠা ইটভাটায় ইটা পোড়ানোর কারণে কারণে শত শত একর জমির ইরি ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ কৃষক ও জমির মালিকরা তাদের ফসল তুলতে পারবে না ভেবে আর্তনাদ ও আহাজারি করছে প্রতিনিয়ত।
এলাকাবাসী অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি তারা এসব অবৈধ কাজ দেখার যেন কেউ নেই।
এস.এম অটো ব্রিক্সের পক্ষ্যে মিঠু গাজী বলেন, তারা অনুমোদন নিয়েই ইটাভাটা চালাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দৌলতপুরের এক ইরি প্রজেক্টর মালিক বলেন, আগে আমাদের প্রতি বিঘা জমিতে ২০ মণ করে ধান পেতাম এখন ইটা পোড়ানোর কারণে ১০ থেকে ৭ মণ হচ্ছে।

দৌলতপুরের কাকন খন্দকার জানান, ইটভটার গ্যাস ও ধোয়ার কারনে আমাদের এলাকার আম, নারিকেল, জামসহ বিভিন্ন ফলজ গাছে এখন ফল কমে গেছে। যাও আসে তার মধ্যে পোকা হয়।

ইটাভাটা বন্ধে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই ভাটার আগুনের তাপ ও কালো ধোয়ায় শুধু ফসলী জমিই নয়। পুড়েছে আশাপাশের গাছপালা। দূষিত ধোয়ায় পরিবেশের বিপর্যয় ঘটে জনগনের স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি।প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি ক্যাপ- নবাবগঞ্জে দৌলতপুর গ্রামে বসত বাড়ির পাশে গড়ে উঠেছে এস.এম অটো ব্রিক্স।

স/ এষ্

         
print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন