আল মাহ্মুদ (স্বপ্নীল)
এক ঝাঁক তরুণ প্রাণ তাজা রক্ত নিয়ে পড়েছে মানব কল্যাণে,এমনি একটি দেশ প্রেমী সংগঠনের নাম “আর্তনাদ বাংলাদেশ”। এরা এগিয়ে যেতে চায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে আঁকড়ে ধরে,জানান দিতে চায় প্রতিটি সুনাগরিকের কর্তব্য। ধর্ম, দল, মত, গোষ্ঠী, নির্বিশেষে সবার পাশে দাঁড়াতে চায় সকল ভেদাভেদ ভূলে। এদের স্লোগান হলো “কেউ নেই যার পাশে, আমরা আছি তার কাছে”। এই সংগঠনটি মোট ২৪ টি বিষয়ের উপর কাজ করবে বলে এদের লক্ষ্য স্থির করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো পথ শিশুর সমস্যার সমাধান, ক্ষুধার্তকে খাদ্য বিতরণ, বস্ত্রহীনের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, শীতার্তকে শীত বস্ত্র বিতরণ, অসহায় বৃদ্ধদের সহায়তা প্রদান, হারিয়ে যাওয়া শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া, নগর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, অসহায়কে সহায়তা, দুযোর্গ পূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, যাদের জরুরী রক্তের প্রয়োজন তাদেরকে দ্রত রক্ত সংগ্রহ করে দেওয়া। অবাক করে দেওয়া বিষয়টি হলো তাদের সবগুলো কার্যক্রম হলো বিনা মূল্যে, তারা চায় তাদের ব্যক্তিগত টাকা খরচ করে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে, সবার মুখে একটু হাসি ফুটাতে, তাদের এত কষ্টের সার্থকতা হলো কারো ঠোটেঁর কোনে একটু হাসি। এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হলেন “রাকিবুল হাসান (রানা)”। তিনি ঢাকার মিরপুর নিবাসী,তার মায়ের আর্দশ, উৎসাহ, অনুপ্রেরনা ও ভালবাসা থেকে সৃষ্টি আজকের এই “আর্তনাদ বাংলাদেশ”। সংগঠনটির অন্যতম গুনাবলী হচ্ছে, কেউ যদি এই সংগঠনের মাধ্যমে কাউকে সহযোগিতা করতে চায় তবে, আর্তনাদ বাংলাদেশের কর্মকর্তা বা স্বেচ্ছাসেবীরা কেউ নিজ হাতে কোন সহযোগীতা গ্রহন করে না। তারা সরাসরি ঘটনাস্থলে সবার সম্মূখে সাহায্যকারী সহ অসহায়কে সহায়তা প্রদান করেন। আর্তনাদ বাংলাদেশ চায় প্রতিটি সুনাগরিক যেন যার যার স্থান থেকে সর্বদা সচেতন থাকে। এই সংগঠনটি কারো সহযোগিতার জন্য একটি মুহূর্তও নষ্ট করেনি,তারা তাদের নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দূর্বার গতিতে। আর্তনাদ বাংলাদেশ আশাবাদী যে, তারা একদিন বাংলাদেশ পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিবে। অল্প কিছু দিন পরই এই সংগঠনটি বিশাল আকারের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে, “হৃদয়ে আর্তনাদ” নামে।

স/ এষ্

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন