জহির রায়হান বিপ্লব-বসুন্দিয়া থেকেঃ যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয় ইউনিয়নের খালঘাট জঙ্গলবাধাল সদুল্যপুর বসন্দয়াবাসীর সমস্য ছিল জলাবদ্ধতা জোয়ার ভাটা ও জলোচ্ছাসের। এসব কারনে এখানে ভৈরব নদীর দুপাড়ের চরে ফসল ফলানোর অনুপোযগী ছিল দীর্ঘদিন যাত। আর নিয়ন্ত্রন না থাকায় বিগত বছর গুলোতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চাষাবাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়তো। নদীর দুপাড়ের ২২০ পরিবার অসহায় জীবন যাপন অতিকে দিন কাটিয়েছেন। এমনই কষ্টের কথা ভুলতে বসলেও বদলে দিচ্ছে সুইচ গেইট এ এলাকার মানুষের। বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ এখানে নদীর দুপাশের গ্রাম গুলোর মধ্যে প্রায় ৫/৬ শত পরিবার বসবাস করেন। এর মধ্যে শতধিক জেলে পরিবার সহ বাকিরা রয়েছেন কৃষি ও অন্যন্যা পেশায়। বিগত ১৪/১৫ বছর আগে এই এলাকায় পানি নিয়ন্ত্রন সমস্যা ছিল ভয়াবহ। জোয়ারের পানি ঢুকে অতি বৃষ্টিতে তলিয়ে যেত ক্ষেতের ফসল পরিনত হতো জলাকারের ভয়ানক এ সমস্যা সমাধানের জন্য বিত্তবা দের নজরে আসেনি। বসুন্দিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রশিদ সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসেন অসহায় পরিবারের মুখের দিকে চেয়ে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাবো) নিকট একটি সুইচগেট নির্মানের দাবী জানান ২০৪-১৫ অর্থ বছরে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা সরোজমিনে পরিদর্শন করেন এব অনুমোদন দিয়ে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৭২ লক্ষ টাকা অর্থায়নে নির্মান করা হচ্ছে সুইচ গেট। সেই সাথে নদীর দুপাড়ের ২২০ পরিবার নিয়ে একটি সমিতি তৈরি করা হয়। খালঘাট পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি (পারযস) লিঃ (রেজিঃনং-০১/যস বেনামে পরিচিতি। উক্ত সমিতির কার্যক্রমের জন্য বসুন্দিয়া গ্রামেরবীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ রশিদ খানের ছেলে সাগরখান ১০ শতক জমিও দান করেছন সেচ্ছায়। এখানকার মানুষের সাথে কথা বলে অনেক দুঃখ কষ্টের জীবন সংগ্রামে অনেক কিছু জানা যায়। এই এলাকার ভুক্তভোগী আলমখান ,নজরুল ইসলাম খান,মোহন মাস্টার,মতলেব খান,আঃ রাজ্জাক মোল্যা,মতিয়ার রহমান খান,সুবোল নিয়গি,অরুন ঘোষ,আশরাফ আলী খান জানান ঁজঙ্গলবাঁধাল খাল ঘাটে ভৈরব নদীর সংযোগ স্থানে সুইচ গেইট নির্মানে তাদের দুঃখ দুদর্শা দুর হবে বলে আশাবাদী। ইচ্ছে মত জোয়ার এর পানি উঠানামা করানো সম্ভব তাতে নানা রকম শাক,সবজী,ধান পাট চাষাবাদ কর যাবে এতে সবার কষ্ট অনেক কম হবে এবং শান্তিতে পরিবার পরিজন নিয়ে ভাল জীবন যাপনের ব্যবস্থা হবে। কথা হয়শেখ আঃ জব্বার এর সাথে তিনি জানান ৮/১০ বছর যাবত ঠিকমত ফলাতে ব্যর্থ হয়েছেন জলচ্ছাস পানি বন্ধি হওয়ার কারনে। এ বছর এ সমস্যার সমাধান হওয়াতে আগামীতে ভাল চাষাবাদ করা যাবে। বসুন্দিয়া মোড় বাজার কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক কে,এম তুহিন জানানখালঘাট সমিতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। এই সুইচ গেইট নির্মানের দাবিতে অনেক মন্ত্রানালয় দৌড় করতে হয়েছে। একটি কুচক্্ির মহল নানাভাবে অপপ্রচার চালিযেছে সুইচ গেইট নিয়ে। শেষ পর্যায়ে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। এখানকার মানুষের কথা ভেবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষে ৭২ লক্ষ টাকায় নির্মান করছেন এলাকার স্বপ্নের সুইচ গেইট। তাছাড়া সুইচ গেইটটি রক্ষনা-বেক্ষনার জন্য ২ জন ব্যাক্তির সরকারী বেতনে নিয়োগ পাবেন। জঙ্গলবাধাল বসুন্দিয়ার খাল ঘাটবাসীর ভাগ্য বদলে দিবে সুইচ ড়েগইট শাক সবজি ধান পাট চাষবাসকৃত সবুজের সমারাহ দেখা মিলবে। বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সাবেকচয়ারম্যান আবু বকর খান হাবেক মেম্বর কমরেড মিজানুর রহমান সত্যপাঠ প্রতিবেদককে জানান বসুন্দিয়া জঙ্গলবাধাল খাল ঘাট এলাকার স্থানীয়দের প্রানের দাবীতে একটি সুইচ গেইট নির্মানের ব্যবস্থা হয়েছে। এরকম আরো অনেক কাজ সরকারি ভাবে আর্থিক সহয়তা ও প্রকল্প প্রদান করলে বসুন্দিয়া এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে একদিন।

স/ এষ্‌

         
print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন