স্টাফ রিপোর্টারঃ কতিপয় অখ্যাত পত্রিকায় ০১-০২-২০১৭ইং তারিখে আশকোনার কতিপয় বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত উপায়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে “প্রশাসনের ছত্রছায়ায় রাজধানীর দক্ষিণখানে ১৬ কুখ্যাত ভূমিদস্যু” শিরোনামে এক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তারা বলেন যে সংবাদের মাধ্যমে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করাসহ আমাদের কষ্টার্জিত সুনাম ও মান-সম্মানের হানি করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। সংবাদটি প্রকাশ করেই তারা ক্ষান্ত হননি, উদ্দেশ্যমূলকভাবে তা অজ্ঞাতনামা লোকদের মাধ্যমে আমাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে আমাদের এলাকায় গোপনে তা বিতরনের ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় কোন হকারের কাছে তখন এ ধরনের পত্রিকা পাওয়া যায়নি। তারা বলেন দীর্ঘদিন যাবত এলাকার কিছু দাগী ও দুষ্ট লোক আমাদের কষ্টার্জিত সুনাম বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই দুর্বৃত্তরা কিছু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সন্নিবেশিত করে সংবাদ হিসেবে কম্পোজ করে কয়েকদিন পর পর প্রায় একই সংবাদ একই কায়দায় কিছু অসৎ লোকের মাধ্যমে প্রচার করে অবৈধ ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। দক্ষিণখান থানা এলাকায় আমাদের বিশাল সুনাম ও মর্যাদা রয়েছে। এলাকার কিছু কুলাঙ্গার কয়েকদিন পর পর অতি গোপনে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে জঘন্য এই অপকর্মটি করছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত রায় বা সামাজিক ন্যায় বিচার ছাড়া, কেবল উদ্দেশ্যমূলকভাবে কতিপয় অসৎ ব্যক্তির অভিযোগ বা থানার মিথ্যা জিডি কোন দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের নিউজ সোর্স বা সংবাদের ভিত্তি হতে পারে না। যে ব্যাপারটি তারা করছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে কেউ চাইলেই সম্মানিত লোকদের সুনাম নষ্ট করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে যে কোন অভিযোগ উপস্থাপন করতে পারেন। এটা কোন বিবেকবান বা সভ্য সমাজের মানুষের কাজ নয়। আমাদের কাছে এটা ষ্পষ্ট যে, দুর্বৃত্তরা কোন কোন মিডিয়াকে এ কাজে ব্যবহার করছে। প্রকৃতপক্ষে, স্থানীয় কিছু জালিয়াতই এই অপকর্মের হোতা। সংবাদে হাজী কমরুদ্দিন টাওয়ারের প্রতিষ্ঠাতাগনের সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। খালেক, মালেক, সাইদ, সাত্তার, রহমান, সালাম এবং আওয়াল, সুজন, সেলিম, মাসুদ, শামীম প্রমূখের নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এরা সবাই মর্যাদাশীল মানুষ। তারা সুনাম অর্জনকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সংবাদে পরিকল্পিতভাবে জনাব আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে জনাব আব্দুস সাত্তার আশকোনা আদশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা সভাপতি। আলফাদা মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি। বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী। এলাকার রাস্তাঘাট ও উন্নয়নে তার অবদান জনগন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। হাজী কমরউদ্দিনের অবদানও শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছেন জনগন। আশকোনা পানির পাম্পের জন্য কোটি টাকার জমি তারই অবদান। আলোচিত সেলিম, মাসুদ, শামীম প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী, সুজন একজন তরুন নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। এলাকায় তার বিশাল সুনাম রয়েছে। সুজন উত্তরা জোন ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক। সুজন বা উল্লেকিত বিশিষ্ট ব্যক্তিগন কারও শেল্টারে বা ছত্রছায়ায় চলেন না। দক্ষিণখান, আশকোনা, গাওয়াইর, প্রেমবাগান, কাওলার, নদ্দাপাড়া, হলান ও বরুয়া এলাকায় তারা অত্যন্ত জনপ্রিয়। কোন ধরনের অপরাধের সাথেই তারা জড়িত নন। রাজনৈতিকভাবে তাদের হেয় করার প্রচেষ্টা চালানো হয় প্রকাশিত সংবাদটিতে। প্রকৃতপক্ষে, তারা কোন প্রকার ভূমিদস্যুতা বা রাজনৈতিক অপকর্মের সাথে জড়িত নন। এলাকার অসৎ দুর্বৃত্তরাই এই সংবাদের হোতা। অতি সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট সাহারা খাতুন বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আশকোনাস্থা হাজী কমরউদ্দিন টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। এর ফলে হিংসার বশবর্তী হয়ে অসৎ লোকেরা এই অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
তারা বলেন, কতিপয় ব্যক্তির সাথে আমাদের জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, যা অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। এই মামলা-মোকদ্দমা ভিন্ন খাতে রূপ দেওয়ার জন্যই আমাদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার তারা করেই চলেছে। তারা অখ্যাত পত্রিকার কাটিং নিয়ে আমাদের ক্ষতি সাধন করার জন্য অপচেষ্ট চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হব। এ ব্যাপার আমরা সংশ্লিষ্ট পত্রিকার ডিক্লারেশন গ্রহনকারী কর্তৃপক্ষসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

স/শা

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন

Power by

Download Free AZ | Free Wordpress Themes