অনেকেই তো বিমানে চড়েছেন। কিন্তু কখনো কি বিকিনি পরিহিতা বিমান বালা চোখে পড়েছে? না দেখারই কথা। কারণ একটি মাত্র সংস্থার বিমান বালারাই এই বিশেষ পোশাক পরে যাত্রীদের পরিষেবা দিয়ে থাকেন। সেটি হলো ভিয়েতজেট এয়ার।

স্বল্প মূল্যে উন্নতমানের যাত্রী পরিষেবা দিয়ে অত্যন্ত অল্প সময়ে অনেক লাভের মুখ দেখেছে ভিয়েতনামের এই বিমান সংস্থাটি। তবে এর ইউএসপি হলেন এই বিমানবালারা।

২০১১ সালে প্রথমবার উড়ান ভরার সময় লাল-হলুদ রঙের ঝলমলে বিকিনিতে সেজে উঠেছিলেন বালারা। তাদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাত্রীদের লম্বা লাইনও পড়ে গিয়েছিল।

বর্তমানে ভিয়েতনামের সবচেয়ে সফল বিমান সংস্থা হলো ভিয়েতজেট। সেই দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ বিমান পরিষেবাই দেয় এই সংস্থা। যার সৌজন্যে ফোর্বসের ধনীদের তালিকায় প্রথম পঞ্চাশের মধ্যে স্থান পেয়েছেন সংস্থার সিইও ফুং থাও। ভিয়েতনামে ১০০ কোটিরও বেশি সম্পত্তির মালিক মাত্র দু’জন। যার মধ্যে থাও অন্যতম।

২০০৭ সালে ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের তরফ থেকে বিমান চালু করার ছাড়পত্র পেয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু সেই সময় তেলের দাম অত্যাধিক হওয়ায় পরিষেবা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে ২০১০ সালে এয়ার এশিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে পরিষেবা চালুর কথা ভেবেছিলেন থাও।

ভিয়েতজেট এয়ার

কিন্তু ওই সংস্থা রাজি না হওয়ায় নিজেই জন্ম দেন ভিয়েতজেট এয়ার-এর। অন্যদের থেকে আলাদাভাবে নজর কাড়তেই বিমান বালাদের একেবারে অন্যভাবে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পরিকল্পনা যে সুপারহিট হয়েছিল, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

ভিয়েতজেট এয়ার

কিন্তু এ নিয়ে বিমান যাত্রীদের কোনো আপত্তি নেই? থাও জানান, ‘এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। বরং বালাদের এনার্জি ও ফুরফুরে মেজাজ বেশ পছন্দ করেন যাত্রীরা। আর যতদিন কোনো অভিযোগ না আসে, ততদিন চালু থাকবে এই পরিষেবা।’

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন