তাপস কুমার, নাটোর:
নাটোরের গুরুদাসপুরে রেকর্ড জটিলতার কারনে ১৩ শতক জায়গার মালিকানা ফিরে পেতে ৪৩ বছর ধরে অপেক্ষায় রয়েছে একটি পরিবার। এদিকে আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা চালাতে গিয়েও পরিবারটি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াসহ দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও আদালতে দায়ের করা নথিসুত্রে জানা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর হাটে নাজিরপুর মৌজার নন্দকুঁজা নদী সংলগ্ন ১৯২ নং আর এস খতিয়ানের ১১৩ নং দাগের ২৫ শতক জায়গা ক্রয়সুত্রে ভোগ দখল করছিলেন। ১৯৭৪ সালের রেকর্ডের সময় তৎকালীর সার্ভেয়ার ভভুলক্রমে ওই ২৫ শতাংশ জমির মধ্যে সরকার কেটে নেয় ১৩ শতক। কিন্তু সরকার একোয়ার করেও নেয়নি। বর্তমানে ২৫ শতক জায়গা (শ্রেণি বাড়ি) আব্দুল হামিদ ভোগ দখল করছেন।
ওই ঘটনায় ২০০৭ সালের ২৮ জুলাই জায়গাটির মালিক আব্দুল হামিদ নাটোর আমলি আদালত-৩ (গুরুদাসপুর) রেকর্ড সংশোধনী মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর আব্দুল হামিদ মারা গেলে তার তিন ছেলে সামসুল হক মোল্লা, নাজিমউদ্দীন মোল্লা ও নজরুল ইসলাম মোল্লা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়। বর্তমানে নাজিম উদ্দিন মোল্লা মামলাটির বাদী। মামলাটির বর্তমান বাদী নাজিম উদ্দিন মোল্লা অভিযোগ করেন, জায়গাটি তাদের পৈত্রিক সুত্রের। স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও রয়েছে। তৎকালীন সার্ভেয়ারের ভুলের খেসারত হিসাবেব আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা করা হয়েছে। বছরের পর বছর আদালতে ঘুরতে ঘুরতে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন তিনি। একই সাথে বাড়ছে আর্থিক খরচ। এদিকে মামলাটিট নিষ্পত্তি না হওয়ায় কোন স্থাপনাও নির্মান করতে পারছেননা তিনি।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারির আবুল কামাল আজাদ বলেন, তৎকালীন সার্ভেয়ারে জরীপ রিপোর্ট নিয়ে আদালতে চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জরীপটি সঠিক না ভুল তা বলা যাচ্ছেনা।

স/জনী

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন