সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুই কবি নজরুলকে মূল্যায়ন করেন : হুইপ আতিক

জাককানইবি প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪মে কবিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন । তিনি কবিকে চিনতে ভুল করেননি তাই তো বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম নজরুল মূল্যায়ন করেন, এদেশে এনে নাগরিকত্ব প্রদান করে তিনি কবি ও কবির পরিবারের পাশে ছিলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপনীদিন বৃহস্পতিবার আলোচনাসভায় অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এম.পি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদেও প্রধান হুইপ তার বক্তব্যতে আরো বলেন, কবি নজরুল ছিলেন বিশ শতকের নিপীড়িত মানুষের সোচ্চার কণ্ঠস্বর, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অমর বংশীবাদক, নিম্নবর্গীয় জীবন বাস্তবতার অনবদ্য রূপকার, সাম্যবাদ, মানবতাবাদ, দ্রোহ ও প্রেমের কবি, বিদ্রোহী নটরাজ, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিংবদন্তী কবি, কথাশিল্পী, সংগীত স্রষ্টা।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী এম.পি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দে, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাহাবউদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

আলোচনাসভা শেষে নজরুল গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং নজরুল সংগীতে অবদানের জন্য শিল্পী জুলহাসউদ্দিন আহমেদ কে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সম্মাননা-২০১৯ প্রদান করা হয়।

এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নজরুল গবেষকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার এবং বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পরে ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email