ফরিদপুরকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণার কথা থাকলেও,তা শুধু কাগজে-কলমেই!

ভিক্ষু

হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর :

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ভিক্ষুকদের পূনর্বাসন করে নগরকান্দাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা থাকলেও, আজও তার বাস্তবায়ন দেখতে পায়নি নগরকান্দা উপজেলাবাসী। এর আগে উপজেলা প্রশাসন নগরকান্দা ভিক্ষুকদের ডেকে নিয়ে, তাদের পূনর্বাসনের কথা বলেন এবং তাদের তালিকাও করেন।

যদিও তা আলোর মুখ দেখতে পায়নি কাগজে-কলমের মধ্যই রয়েছে। ভিক্ষুকরা বলেন, সামাজিক ও প্রশাসনিক ভাবে আমাদের পূনর্বাসিত করলে, আমরা ভিক্ষা ছেড়ে দিয়ে, বাদাম, চকলেট,কলম,পান, বিস্কুটসহ অন্যন্য পণ্য বিক্রি করতাম। নগরকান্দার ভিক্ষুকরা চায় পূনর্বাসন।

নগরকান্দা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সানোয়ার হোসেন জানান, প্রতিদিন ৪০-৫০ জন ভিক্ষুক দোকানে আসে, শুক্রবারে ৮০-১২০ জন, রমযান মাসে ১০০- ১৫০ জনকে ভিক্ষা দিতে হয়। যা সত্যই বিরক্তিকর। উপজেলা বাসীর দাবী, নগরকান্দার ভিক্ষুকদের পূনর্বাসন করে নগরকান্দাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা করা হোক।

সানোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, নগরকান্দাকে ভিক্ষুক মুক্ত দেখতে চাই, এটা আমাদের নগরকান্দাবাসীর দাবি। আমার অনুরোধটি এন ও স্যারের উপর ,স্যার জানি এই দিকটার উপর নজর রাখবেন।

নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান সরদার বলেন, ভিক্ষুকদের পূনর্বাসনে ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারছিনা । কারণ, আমি সবে মাত্র দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, একসাথে সব ভিক্ষুকদের পূনর্বাসন অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। তবে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এব্যাপারে ভিক্ষুকদের জন্য কিছু একটা করার উদ্যোগ নিবো।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বদরুদ্দোজা শুভ জানান, এই উপজেলায় যত ভিক্ষুক ছিল তাদের তালিকা করে সবাইকে ভিজিডি, ভিজিএফসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে পূনর্বাসন করা হয়েছে। আমার নগরকান্দা উপজেলায় কোনো ভিক্ষুক নেই। তবে ঈদ সামনে থাকাতে হয়তো কিছু অতিথি ভিক্ষুকের আগমন ঘটতে পারে। এরা পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা, ফরিদপুর সদর থেকে আসতে পারে।

স/এষ্

Print Friendly, PDF & Email