মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জে ১০ মন মা ইলিশ,এক লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার ভোর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদের নেতৃত্বে চরাঞ্চলের মেঘনা ও পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৫ জেলে আটকসহ এই বিপুল পরিমান মা ইলিশ ও কারেন্টজাল জব্দ করা হয়। একই সময় মাছ ধরার দুটি ট্রলার জব্দ করে তাৎক্ষনিক নিলামে ১লক্ষ ৮ টাকায় বিক্রি করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ জানান, ভোর থেকে পদ্মা ও মেঘনা নদীর জাজিরা,বকচর, চরআব্দুল্লাহ,কালিরচর ও বাংলাবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। এসময় মা ইলিশ,কারেন্ট জাল ও ৫ জেলেকে আটক করা হয়।পরে জব্দকৃত ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুঁড়িয়ে বিনিষ্ট করা হয়েছে। এসময় সদর উপজেলা সি: উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে জেলার লৌহজং উপজেলার সামুরবাড়ীর পদ্মা নদীতে মা ইলিশ নিধন কালে জেলেদের সাথে নৌ-পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এসময় জেলেদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের সি-বোটর্ চালক আল-আমিন (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ির ওসি আরমান হোসেন জানান, সকালে এস আই শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে নৌ-পুলিশের নিয়মিত একটি টহল টিম লৌহজংয়ের গাওদিয়া ইউনিয়নের সামুরবাড়ী চাঁন্দের চর এলাকায় পদ্মা নদীতে টহল দিচ্ছিলো । এসময় নদীতে জেলেরা অবৈধ ভাবে মা ইলিশ নিধন করা অবস্থায় পুলিশ তাদের দাওয়া দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে । এসময় পুলিশ আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা এক রাউন সর্টগানের গুলি ছোড়ে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জেলেরা পুলিশের সি-বোট লক্ষ করে গুলি ছোড়ে পালিয়ে যায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সি-বোট চালক আল-আমিন আহত হয়। তবে জেলেদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় লৌহজং থানায় মামলার প্রস্ততি চলছে। স/রহ

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন