মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জ ২ আসনে তিন বারের মত নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়ামিন এমিলি এমপি। টঙ্গিবাড়ী – লৌহজং নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ ২ আসন। এই আসনটি এখন আওয়ামীলীগের একটি শক্তশালী ঘাটি। ঘাটি তৈরীর কারিগড় হচ্ছেন অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমনটাই দাবি স্থানীয় আওয়ামিলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের।

তৃনমূল নেতাকর্মীদের সূত্রে জানাগেছে, বিগত দিনে সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি দলের জন্য যে পরিশ্রম করেছেন তার কোন তুলনা হয়না। মুন্সীগঞ্জ ২ আসনটি ছিল বিএনপির একটি শক্তিশালী ঘাঁটি। ২০০৮ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে এ আসনটি হারায় বিএনপি । এখানে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী ছিল সাবেক মন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাদক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা। তার আমলে এই আসনটিকে বিএনপির ঘাঁটি বলা হতো। এই আসনটিতে ৯৬ সালের আগে আওয়ামিলীগের সক্রিয় কোন নেতাকর্মী ছিলোনা । তিনি রাজপথে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্টসহচর আলহাজ্ব মহিউদ্দিনের সাথে ঢাকা- মাওয়া মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছিলো। একটা সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভয়ে কেউ আন্দোলন সংগ্রাম করতে সাহস পায়নি। ঠিক ঐ সময় আ”লীগের হাল ধরেন সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি । তিনি সাধারন মানুষেকে বুঝিয়েছেন এবং বুঝাতে ক্ষময় হয়েছিলেন আ”লীগ মানে জনগনের কল্যান ও উন্নয়নের রাজনৈতিক দল । সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির আহব্বানে সাধারন মানুষ সাড়া দেয়। আস্তে আস্তে নেতাকর্মী ও সমর্থকের সংখ্যা বেড়ে যায়। বর্তমানে এই আসনটি পুরো আওয়ামিলীগর দখলে আছে কেবলমাত্র এমিলির জন্য। বিগত দিনে এই আসনে জামাত বিএনপি কোন জ্বালাও পোঁড়াও কর্মসূচী পালন করার সাহস পায়নি। জনগনের জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় আ”লীগের নেতাকর্মীরাও সজাগ ছিল। জনগনকে সাথে নিয়ে সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করে টঙ্গিবাড়ী ও লৌহজং উপজেলা আ”লীগকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

সুত্রে আরো জানা যায়, তিনি ৯৬ সালে ঢাকা – মাওয়া মহাসড়কে জেলা আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দেকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন । পুলিশী নির্যাতনের পরও রাস্তা থেকে সরে জাননি তিনি। দলের জন্য ত্যাগ ও সাহসী সাংগঠনিক কর্মকান্ডের জন্য তিনি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা আ”লীগে প্রান সঞ্চালনের প্রতীক হয়ে থাকবে। দীর্ঘদিন দলের জন্য শ্রম দেওয়ায় তাকে নিয়ে এই আসনে ব্যাপক আলোচনার সৃস্টি হয়। একদিকে যেমন তিনি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা আওয়ামিলীগে প্রানের সঞ্চালন করেছেন, সাধারন মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন। আর পুরস্কার হিসাবে সাধারন মানুষ তাকে তিন তিনবার বিপুলভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন। নির্বাচিত হওয়ার পর মুন্সীগঞ্জ ২ আসনে তিনি ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন ও জনসেবার মধ্য দিয়ে জনগনের আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় হয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার একাধিক আ”লীগ নেতারা জানান, জামাত বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তিনি তিনবার বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন হবে বলে যে আশায় বুক বেঁধেছিল এ আসনের সাধারন মানুষ। তাদের আশা বিফলে যায়নি। রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে পুরো লৌহজং এবং টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় । যা জেলার অন্য যে কোন আসনের চেয়ে উন্নত ও আধুনিক। ২ উপজেলার কোথাও কোন নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হতে দেয়নি তিনি। বাল্য বিবাহ , মাদক নিমূলে অগ্রনী ভুমিকা রেখেছেন। সাধারন মানুষকে ভালবেসে এই আসনটি একটি মডেল আসনে পরিনত করেছেন তিনি। এ আসনটি এমিলির হাতে গড়া । উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এমপির আস্থাভাজন । তৃনমূল নেতাকর্মীরা সাগুফতা ইয়াসমিনকে অভিবাবক হিসাবে পেয়েছে। তৃনমূল যাকে সমর্থন করে তাকেই জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিবে । তৃনমূলে সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির জনপ্রিয়তা আগের চেয়ে বেড়েছে বহুগুন। এ আসনের জনগনের কথা বুঝা এবং তাদের কল্যানে কাজ করার জন্য এমিলির বিকল্প নেই। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও তাকে এমপি হিসাবে পেতে চায় সাধারন মানুষ । এমনটাই জানিয়েছেন তৃনমূলের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির সমর্থকরা।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিএমপি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হচ্ছে প্রত্যেক মানুষ মানবিক মর্যাদায় নিজ দেশে বসবাস করতে পারবে। সেই লক্ষ বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর আহব্বানে এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক মুক্তির লক্ষে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা। তিনি আরো বলেন, আমি জনগনের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। রাজনীতি আমার নেশা ও পেশা । আমার অন্যকোন চাকরি বা পেশা নেই জনসেবাই আমার মূল পেশা । সমন্বিত উন্নয়ন হচ্ছে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া । সেজন্য রাজনীতির উন্নয়ন ঘটাতে হবে এবং জনগনকে সক্ষম করে তুলতে সকল ক্ষেত্রে তাদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন