সাঈদ ইবনে হানিফ।।

সরকারের প্রায় ১০ বছর অতিবাহিত হতে চললো এর মধ্যে বহু কাঙ্খিত উন্নয়ন ও অগ্রগতি হতে দেখা গেছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের। অথচ বাঘারপাড়া উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ এবং জনসাধারণের নিত্য চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি আজও পাকা করণ বা মেরামতের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যে কারণে এ অঞ্চলের জনসাধারণ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে পিছিয়ে পড়েছে শিক্ষা, সাংস্কৃতি সহ সকল প্রকার কর্মকান্ড থেকে। ফলে প্রতিনিয়ত চলাচলের দূর্ভোগে পড়ে মানুষ সরকারের সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোবের বর্হিপ্রকাশ দেখাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের উত্তরে যশোর – নড়াইল মহাসড়ক আর দক্ষিণে রয়েছে যশোর – খুলনা মহাসড়ক। এই ইউনিয়নের মাঝ বরাবর ঘুনী, চাড়াভিটা সংযোগের জন্য ৭ কিঃ মিঃ সড়ক অতিবাহিত। যা বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের সময়ে জনসাধারণের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ তহবিলের অধীনে পাকা করা হয়। যার নাম করণ করা হয় শহীদ জিয়া স্বরণী সড়ক। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই এই সড়কটি রোড এন্ড হাইওয়ের শাখায় অর্ন্তভূক্ত হয় বলে একটি সূত্রের দাবী। প্রত্যান্ত গ্রামীণ জনপদের মাঝ দিয়ে এই সড়কটি অতিবাহিত হলেও শিল্প কলকারখানার হাজার হাজার শ্রমিক, যাত্রী সাধারণের যাতায়েতের সুবিধা, মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে খুলনা, নড়াইল, আড়পাড়া, শালিখা, মাগুরা, খাজুরা, বাঘারপাড়া, বসুন্দিয়া ও অভয়নগর অঞ্চলের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যবসায়ী গণ সহ ও বায়পাস বা বিকল্প রোড হিসাবে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে আসছে। স্থানীয় জনসাধারণ ও পথচারীদের অভিযোগ ভারী যানবহন চলাচলের কারণে অতি অল্প সময়ে রাস্তাটি নষ্ট হয়েছে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট, বড় দূর্ঘটনা।

বর্তমানে রাস্তাটির হাল চিত্র দেখে বুঝার উপায় নেই যে, এটি এক সময় একটি পাকা রাস্তা ছিলো। তারা বলেন ১০ বছর ধরে আমরা এমন চিত্র দেখে আসছি এবং যাতায়েতের ক্ষেত্রে এই সীমাহীন দূর্ভোগ পুহাচ্ছি। এত বছরেও সরকার কেন রাস্তাটি মেরামত বা সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না তা আমাদের বোধ গম্য নয়। সম্প্রতি বসুন্দিয়া, ঘুনী, পদ্মবিলা এলাকায় একাধিক মিল কলকারখানা স্থাপিত হওয়ায় সেখানে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের সহ যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করছে সড়কটি। কিন্তু সড়কের এই বেহাল দশা তাদের কর্মক্ষেত্রে সঠিক সময়ে পৌছানোর জন্য চরম বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের প্রতি জনসাধারণের দাবী দ্রুত এই সড়কটি পাকা ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এ বিষয়ে স্থানীয় সড়ক ও জনপদ বিভাগের (এলজিইডি) কর্মকর্তা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, আই.টিভি ও গ্রামের সংবাদ প্রতিবেদক সাঈদ ইবনে হানিফকে বলেন বিগত কয়েক বছর যাবৎ সড়কটি দিয়ে তার ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বোঝাই নিয়ে অসংখ্যা পরিবহন চলাচলের কারণে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই তা নষ্ট হয়ে গেছে। সড়কটি দীর্ঘ বছরের এই ভঙ্গুর হাল চিত্র তুলে ধরে সরকারের সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রোনালয়ে আবেদন করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে অতি দ্রুতই এই সড়কটি পাকা করণের মাধ্যমে তার মেরামতের কাজ শুরু হবে।

স/ এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন