বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা দক্ষিণের বিএনপির সভাপতি হাবীব-উন-নবী খান সোহেলকে মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হলেও ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি পুলিশ।

তবে এর কিছু সময় পরে পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশ গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। সোহেলের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। পুলিশ তাকে খুঁজতেছিল। শান্তিনগরে তার বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশিও চালিয়েছে পুলিশ।

ওই দিন রাতে হাবীব-উন-নবী খান সোহেল গ্রেপ্তারের পরপরই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করেন দলের কয়েকজন নেতাকর্মী। এই ঘটনায় মির্জা ফখরুলকে সংবাদ সম্মেলন করে বিবৃতি জানানোর অনুরোধ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় মির্জা ফখরুল তাদের জানান, তিনি বিষয়টি দেখছেন।

ঘটনার দুই ঘণ্টা পরও মির্জা ফখরুলের পক্ষ থেকে সাড়া না পেয়ে আবার ফোন করেন নেতাকর্মীরা। এবার অবশ্য ফোনই ধরেননি ফখরুল।

পরে এ ঘটনায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকেন বিএনপির সিনিয়র মহাসচিব রুহল কবির রিজভী। সম্মেলনে তিনি বলেন, ভোটারশূন্য নির্বাচন করতেই সরকার সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে।

বিএনপি অন্যতম শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তারের পরও এর মহাসচিব ও বর্তমান অভিভাবকের নীরবতা নিয়ে দলের মধ্যে তীব্র সমালোচনা দেখা গেছে। হাবীব-উন-নবী খান সোহেল গ্রেপ্তারের মির্জা ফখরুলের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। কেন এই নীরবতা?

বিএনপি ঘনিষ্ঠ জানিয়েছে, হাবীব-উন-নবী খান সোহেল বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়ার অনুসারী বলেই পরিচিত। মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তার বিরোধের বিষয়টিও বিএনপির সবাই জানেন। এ কারণেই কী দলের দু:সময়ে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে নীরব ছিলেন মির্জা ফখরুল?

এমএ

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন