নিজস্ব প্রতিবেদক : নিরীহ মানুষকে চাকরি দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পেশাদার প্রতারক সোহেল রানা (৪০), ও তার চক্র। এ চক্রের সদস্য তার স্ত্রী সুমী আক্তার (৩৫) ও জনৈক শহিদুল ইসলামসহ কয়েক জন। এ চক্রের বিরুদ্ধে বিগত ০৫/০৪/২০১৮ইং তারিখে ডিএমপির গুলশান থানায় একটি মামলা নং-০৩-৪২০/৪০৬/৪৬৭/৪৬৮/৩৪ দাঃ বিঃ দায়ের হয়েছে। জানা যায় সোহেল রানার পিতার নাম আইয়ুব আলী, গ্রাম-পাড়া মৌলা, ডাকঘর-ডাংরারার হাট, থানা-রাজার হাট, জেলা-কুড়িগ্রাম। বর্তমান ঠিকানা পরিচয়দানকারী- বাড়ী নং-১৬, সড়ক নং-৬/এ, সেক্টর-৪, উত্তরা, ঢাকা। এযাবৎ অসংখ্য লোককে চাকরি দেয়ার নামে সে পথে বসিয়েছে। বহু বেকার যুবক সর্বশান্ত হয়েছে।

প্রতারক সোহেল রানার প্রতারনার কৌশল অভিনব। সে বিভিন্ন ভুয়া নামি দামী প্রতিষ্ঠানের এম.ডি, ই.ডি, চেয়ারম্যান, জি.এম, পরিচালক ইত্যাদি পরিচয় দেয় ও ভুয়া ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে মানুষের আস্তা অর্জন করে চাকরি দেয়ার প্রস্তাব দেয়। সাথে সাথে বিভিন্ন পত্রিকায় সে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও দেয়। এর ফলে নিরীহ মানুষের ও বেকার যুবকদের আস্থা অর্জন করে। তখন তার কথা অনুযায়ী চাকরির আবেদন পত্রের সাথে প্রার্থী অসহায় বেকার লোকদের চাকরির ধরন অনুযায়ী ৫/১০/২০ লাখ টাকা দিতে হয়। এভাবে সে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাজধানীসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

ইতোমধ্য এ চক্র ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, আবদুল্লাহ আউট সোর্সিং এসব প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ইতোমধ্যে আশিক আহমেদ, রেজাউল করিম ও মনিরুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৮,৭৫,০০০/-(আট লাখ পচাত্তর হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বেকার অসহায় যুবকরা এখন পথে বসেছে। সুদের ওপর ধার করা টাকার চিন্তায় তারা এখন দিশেহারা। ২ মাস পূর্বে গুলশান থানা এ প্রতারক চক্রের প্রধান সোহেল রানাকে গ্রেফতার করিয়েছিলো। পরে সে ছাড়া পেয়ে এসে, এখন দ্বিগুন উৎসাহে তার প্রতারনা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এ চক্র “গোল্ডেন এনভারনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (জিইডিএফ) নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান” এর নামে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লোক নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে থানা পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআই ব্যবস্থা নিয়ে অসহায় মানুস গুলো হয়তবা বেঁচে যাবে।

আরআর

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন