এম.এম.রহমান,মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ সরকারী হরগঙ্গা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ন- সাধারন সম্পাদক মো: রায়হান আহম্মেদ রাফি মাদকমুক্ত মুন্সীগঞ্জ শহর গড়তে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। রবিবার দুপুরে একান্ত স্বাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। সরকারী হরগঙ্গা কলেজ সুত্রে জানা গেছে। ২০১১ সালে রায়হান রাফি সরকারী হরগঙ্গা কলেজে ব্যবসা শিক্ষা শাখায় ভর্তি হন । বর্তমানে সে অনার্স ব্যবস্থাপনা ফাইনাল বিভাগের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী। ২০১১ সালের প্রথম থেকেই সরকারী হরগঙ্গা কিছু উসৃংখল ছাত্র বহিরাগতদের নিয়ে কলেজের সাধারন ছাত্রদের নির্যাতন শুরু করে । হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের মোবাইল নগদ টাকা চুরি ছিনতাই করে এবং প্রতিবাদ করলে মারধরও করিত। সে সময় থেকে সাধারন ছাত্রদের পাশে দাঁড়ান রায়হান রাফি । ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। সাধারন ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন রাফি। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল ও নগদ অর্থ উদ্ধার করে দিতেন রাফি। এতে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারন ছাত্রদের কাছে সে প্রিয় প্রতিবাদী ব্যক্তি হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। শুধু তাই নয় কলেজের শিক্ষকরা বিভিন্ন অযুহাতে ছাত্রদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে অর্থ হাতিয়ে নিতে শুরু করে । এটা নিয়ে রায়হান আহম্মেদ রাফি জোরালে প্রতিবাদ করলে চাঁদা তোলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রায়হান আহম্মেদ রাফি সর্ব প্রথম সরকারী হরগঙ্গা কলেজের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে পুরো কলেজ সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনার দাবি জানান। বর্তমানে কলেজটিতে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন আছে । এর কৃতিত্ব রায়হান আহম্মেদ রাফির বলে দাবি করছেন সাধারন শিক্ষার্থীরা ।

কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, দু:সময়ে সাধারন ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কল্যানে কাজ করেছেন রায়হান আহম্মেদ রাফি । এক সময় তার মনে শহরের মানুষের সেবা করার স্বপ্ন জাগে । ২০১১ সালে রায়হান আহম্মেদ রাফি সরকারী হরগঙ্গা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সর্ব শেষ কমিটির যুগ্ন- সাধারন সম্পাদক পদের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে পা রাখেন। তিনি এখন জেলা কমিটির সদস্য পদেও আছেন। একটি পরিবারকে ধবংসের জন্য একজন মাদক সেবনকারীই যথেষ্ট । এই স্লোগানকে প্রধান্য দিয়ে রায়হান রাফি মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেন। শুরু থেকেই রায়হান আহম্মেদ রাফি দলের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। দলীয় সকল প্রকার কর্মকান্ডে তিনি স্বতপূর্তভাবে অংশ নিতে দেখা গেছে। জেলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় কর্মকান্ডে রায়হান আহম্মেদ রাফি ছুটে চলেন । দলের প্রতি রাফির এতো ভালবাসা দেখে মুগ্ন হন পৌরসভার সফল মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব । ইতিমধ্যে রায়হান রাফিকে নিয়ে তিনি ভাবতে শুরু করেছেন । রায়হান আহম্মেদ রাফিকে পৌর সভার রাজনীতিতে জোরালো ভুমিকা রাখার দায়িত্ব দিতে চান আধুনিক মুন্সীগঞ্জ পৌর সভার উন্নয়নের রুপকার হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ।এমনটাই শোনা যাচ্ছে শহর জুড়ে।

একান্ত আলাপকালে রায়হান আহম্মেদ রাফি আরো বলেন, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাটি এখন একটি আধুনিক পৌরসভা । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসাবে গড়ে তুলেছেন হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব সাহেব। তিনি শহরের প্রতিটা ওয়ার্ডে দৃশ্যমান অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছে । এখনও আরো অনেক উন্নয়নমুলক কাজ চালিতেছে শহর জুড়ে। শহরের যানজট নিরসনে মেয়র সাহেবের রয়েছে অনেক অবদান। আমি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী । মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাকে দেশের শ্রেষ্ট পৌরসভা হিসাবে গড়ে তুলতে হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব ভাইকে সহযোগিতা করতে চাই । দেশের চলমান উন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করছেন পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব সাহেব। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে , মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে বিপ্লব ভাইয়ের পাশে থাকতে চাই। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভাটি হলো উন্নয়নের রোল মডেল । মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নের রুপকার হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ভাই একদিন পুরো জেলার উন্নয়নের রূপকার হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
স/রহ

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন