মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নে চার জন ব্যক্তি যৌবনকাল থেকে মহিউদ্দিন আহম্মেদের সাথে আওয়ামিলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন । তারা হলেন, বাবু জগদীস চন্দ্র নাগ,মরহুম কাজী রোস্তম আলী, আ: সালাম বকাউল ও রমিজউদ্দিন সরদার। এই চারজন ব্যক্তি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের আওয়ামিলীগের স্থানীয় প্রতিষ্ঠাতা । এরা ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত চীফ সিকিউরিটি অফিসার বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সাহেবের একান্ত আস্থাভাজন। যৌবনকাল থেকেই তারা মহিউদ্দিন সাহেবের সাথে রাজনীতি শুরু করেন। বয়সের ভাড়ে এবং বাধ্যক্যজনিত কারনে অনেকই হাটাচলা করতে পারেনা। এদের মধ্যে অন্যতম হলো রমিজউদ্দিন সরদার। তার অনেক বয়স হয়েছে তবুও তাকে এখনও দলীয় কর্মকান্ডে অংশ নিতে দেখা যায়। দলের প্রতি রয়েছে তার গভীর ভালাবাসা। তাকে দেখে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতির মাঠে আসেন তার মেয়ে মিসেস রানী বেগম। পিতার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে রাজনীতিতে এসেই রানী বেগম ক্লান্তিকে বিদায় জানিয়ে গ্রাম থেকে মহিলাদের উজ্জিবিত করে দলে টেনে আনতে শুরু করে। দলীয় কর্মসূচীতে গাড়ী ভরে কর্মীদের নিয়ে শহরে চলে আসেন নিয়মিত ।
যোগদান করার পর থেকেই সংগঠনের নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। দলীয় সকল প্রকার কর্মকান্ডে তার স্বতপূর্ত অংশ গ্রহন আধারা ইউনিয়নের মহিলা আওয়ামিলীগকে চাঙ্গা করে তুলেছে। তার নেতৃত্বে আধারা ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামিলীগ একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত হয়েছে। উন্নয়নের রাজনীতিতে নারীদের অবস্থান আরো দৃঢ় করতে সকল নারীদের তারমত এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

এ বিষয়ে মিসেস রানী বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই আমার বাবাকে রাজনীতি করতে দেখেছি। আমার বাবা মহিউদ্দিন সাহেবের আস্থাভাজন কর্মী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে কখনও বাস্তবে দেখিনি তবে তার আদর্শ মহিউদ্দিন সাহেবের মাঝে খুঁজে পাই । যখন বঙ্গুবন্ধুর ৭ই মার্চের অগ্নিঝড়া ভাষর টিভিতে দেখি তখন দেখি তার পাশে দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছে তার আদর্শের বাহক বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন। মহিউদ্দিন সাহেব আমার বাবার সাথে আমাদের বাড়ীতে অনেকবার এসেছিলো । তাকে কাছ থেকে দেখেছি। তার আচার ব্যবহার এবং তার রাজনীতির আদর্শে আমি মুগ্ন হই। বর্তমান আধুনিক মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নের রূপকার হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ভাই আমার অভিভাবক। হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব ভাইয়ের সংস্পর্শে গিয়ে সেই বঙ্গুবন্ধুর আদর্শের রাজণীতির গন্ধ পাই । কর্মীদের প্রতি তার অগাদ ভালবাসা এবং কর্মীদের মূল্যায়নে, সুখে দু:খে পাশে দাঁড়ানো সব কিছু মিলিয়ে আমি হাজ্বী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ভাই যেন এক আদর্শবান ব্যক্তি। তার হাতের স্পর্শে মুন্সীগঞ্জ শহরটি আজ আধুনিক একটি শহরে পরিনত হয়েছে। হাজ্বী বিপ্লব ভাইয়ের কাছ থেকে আমার রাজনীতির হাতেখড়ি।

মিসেস রানী বেগম আরো বলেন, আমাকে রাজনীতির মাঠে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরনা ও উৎসাহ দিয়েছে হাজী ফয়সাল বিপ্লব ভাইয়ের সহধর্মীনি । তারা আগে ছিলো আমার পিতার অভিভাক এখন আমারও অভিভাবক। আমি যতোদিন বেঁচে থাকবো হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব ভাই ও তার সহধর্মীনির কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো। দেশের চলমান উন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করতে চাই । আগামী নির্বাচনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব ভাই এর হাতকে শক্তিশালী করতে চাই। আগামীতে হাজ্বী ফয়সাল বিপ্লব ভাইয়ের হাত ধরে মহিলা আওয়ামিলীগ,ছাত্রলীগসহ সকল অংগসংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতীয় পর্যায়ে বলিষ্ট ভুমিকা রাখবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ।
স/রহ

print
Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন