নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানী উত্তরখানে দিন দিন ভূমিদস্যু প্রতারক ও জালিয়াতদের দৌরাত্ম ভয়াবহ আকারে বেড়েই চলছে। এইসব ঘটনার সাথে প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কিছু লোক ও তথাকথিত হাজী বাচ্চু মিয়ারা জরিত। এই কারনে মানুষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত।

উত্তর খানের রাজাবাড়ী আটিপাড়া রাস্তার উত্তর পূর্ব পাশে কয়েক পরিবারের নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমি আত্মসাতের জন্য গত কয়েক বছর যাবৎ উল্লেখিত দূর্বৃত্তরা ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে আসছে। এই সম্পত্তির বর্তমান মালিক ১। ময়ফুল বানু, স্বামী: হাছেন আলী, পিতা: মৃত আব্দুল লতিফ মোল্লা, মাতা: জরিনা বেগম ২। আলেয়া বেগম (বাহার জান), পিতা: মৃত: রায়হান উদ্দিন, মাতা: জরিনা, ৩। মোঃ হাছেন আলী, পিতা: মৃত: মোশাররফ আলী (ছফর আলী), ৪। মোঃ হোসেন আলী, পিতাঃ মৃত: মোশাররফ আলী (সফর আলী), ৫। মোঃ মনসুর আলী, পিতা: মৃত: আব্দুল লতিফ মোল্লা, গ্রাম: রাজাবাড়ি আটিপাড়া, থানা: উত্তরখান, জেলা: ঢাকা।

ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা গেছে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিকরা সহজ সরল ও বনোদি পরিবারের সন্তান। তারা জীবনে থানা পুলিশ কোট কাচারি করেনি। বর্তমানে দূর্বৃত্তরা এতই তৎপর যে, তারা থানা পুলিশ কোট কাচারি করতে বাধ্য হচ্ছে। এলাকাবাসী জানান উল্লেখিত মালিকগন এখানে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছেন। জীবন জীবিকার প্রয়োজনে তারা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাময়িকভাবে অবস্থানের সুযোগে ভূমিদস্যুরা তাদের ভূমিগুলোর কিছু জাল কাগজপত্র করছে। তফসিল: জেলা: ঢাকা, থানা: কেরানীগঞ্জ, মৌজা- উত্তর খাঁন, সিট নং: ০১ এর খতিয়ান নং-৬৭৮ এর দাগ নং-৫১৬,৫৪৫ জমির রকম বাইদ (৯৭+৯৬) মোট ১৯৩ শতক এর ৫.৮০ এর ৫.৮০ আনা বা ৬৯.৯৬২৫ শতাংশ। উক্ত ১ নং সিট এর খতিয়ান নং- ৭৬৪ এর দাগ নং-৫১৭ এবং ৫১৮ জমির রকম (বাড়ী+জেলা) ১৯৩+২৫১ = ৪৪৪ শতাংশ এর ৫ আনা বা ১৪৫.৬৮৭৫ শতাংশ সমুদয় সম্পত্তির ২১৫.৬৫ শতাংশ। চৌহদ্দি: সি.এস. খতিয়ানের ১নং সিটের, উত্তরে ঃ ৫২৩ নং দাগ, পূর্বে ঃ ৫১৫, ৩৬২৪ এবং ৩৬২৩ নং দাগ। দক্ষিণে ঃ সি.এস খতিয়ানের ১ নং সিটের ৫৪৬ নং দাগ, পশ্চিমে ঃ ৫৪১, ৫৪৪, ৫৪৩, ৫১৯, ৫২০ এবং ৫২১ নং দাগ।

বর্তমানে সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে এলাকার কিছু জালিয়াত ও প্রতারক শ্রেণির লোক ময়ফুল বানুর জমিতে দোকানপাট ও বাজার পর্যন্ত গড়ে তোলে নিরিহ লোকদের কাছে ভাড়া দিয়েছে। জানা যায় কতিপয় প্রতারক ও টাউট শ্রেণির লোক ময়ফুল বানু গং এর জমিতে রাজা বাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল খুলে ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। উক্ত সম্পত্তিতে অবস্থানকারী বিভিন্ন দোকানদার ও ভাড়াটেরা জানিয়ায়েছে মূল মালিক আমাদের কাছে আসলে আমরা তাদেরকে ভাড়া দিব। প্রয়োজনে তাদের কাছে পজিশন হস্তান্তরের আবেদন জানাবো। আমরা বৈধভাবে থাকতে চাই। অবৈধভাবে থাকা আমরা পছন্দ করি না। একজনের সম্পত্তি অন্যজন ভাড়া দিবে লুটপাট চালাবে তা হতে পারে না। মূল মালিকগন অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদে সম্প্রতি একটি আবেদন পেশ করছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার কর্মি ও সাংবাদিকগন ইতিমধ্যে প্রকাশ্য ও গোপনে এলাকা পরিদর্শন করছেন। সংস্থার মহাসচিব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট মোঃ আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন দলিল কথা বলে জায়গা সম্পত্তির মা বাপ বৈধ দলিল ও কাগজপত্র বৈধ মালিকপক্ষ ভূমিতে যাকে বসবাস বা দোকানপাট করার জন্য অনুমতি দিবেন বা বরাদ্দ দিবেন একমাত্র তারাইতো ভোগ দখল করতে পারবেন। অন্যান্যদের সেখানে হস্তক্ষেপ অবস্থান বেআইনী বলে গন্য হবে।

আরআর

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন