লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ মিথ্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদন : চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ থানা এলাকায় সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহল ও নিরীহ লোকজনকে তথাকথিত লাভজনক ব্যবসায় বিনিয়োগ, চাকরি প্রদান, ব্যবসার অংশীদারিত্ব প্রদান ইত্যাদি নানা কথা বলে মোটা অংশের টাকা পয়সা নিয়ে কেটে পড়েছে।

এমন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মূল হোতা ১। হাসান ব্যাপারী (৪০), তার সহযোগীরা হলো ২। জাহাঙ্গীর ব্যাপারী (৪৫), ৩। মনির ব্যাপারী (৩৫), পিতা: আব্দুল হামিদ ব্যাপারী ৪। আব্দুল হামিদ ব্যাপারী, পিতা: মৃত আবিল হোসেন ব্যাপারী- এই পেশাদার দুর্বৃত্তরা প্রবাসী মোঃ আলী আক্কাস, পিতাঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম, গ্রাম: করবন্দ, ডাকঘর: মহামায়া বাজার, থানা: মতলব দক্ষিন, জেলা: চাঁদপুর- বিগত ২৯/১১/২০১৫ ইং তারিখ ও তার পূর্বে এই দূর্বৃত্তরা উক্ত প্রবাসীর কাছ থেকে তাদের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করে অত্যান্ত সুকৌশলে তাদের প্লাষ্টিক বক্স কারখানা নির্মাণের কথা বলে ৭,৫০,০০০ (সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর থেকে উক্ত সংঘবদ্ধ প্রতারকরা নানা ছল চাতুরী করে তাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে এবং তারা বলছে টাকা চাইলে মামলা করে সরাসরি জেল হাজতে ঢুকিয়ে দেব। তারা আরও জানায় তাদের মাতৃভান্ডার প্লাষ্টিক বক্স কারখানাটি ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে।

প্রকৃত পক্ষে কারখানাটি প্রবাসী মোঃ আলী আক্কাসের পুঁজির মাধ্যমে আরও উন্নয়ন করে মনির ব্যাপারী ওরফে ফটকা মনির চালাচ্ছে ও বাজারজাত করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য দুর্বৃত্ত চক্র এলাকায় আরও বেশ কিছু এই ধরনের প্রতারণা করছে। বিগত ১৩/০৪/২০১৮ ইং তারিখে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের কাছে এই প্রতারক চক্রের অমানবিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আলী আশরাফ বেপারী একটি অভিযোগ দায়ের করলে, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ মতলব দক্ষিন থানা পুলিশের মাধ্যমে তাদের শুনানিতে হাজির করার নোটিস জারি করে। মতলব দক্ষিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাদের হাজির করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। এতে আসামি জাহাঙ্গীর ব্যাপারী ও মনির ব্যাপারী হাজির থাকলেও মূল আসামী হাসান ব্যাপারী ও আব্দুল হামিদ ব্যাপারী পলাতক থাকে। ১নং আসামী হাসান ব্যাপারী কুমিল্লা, সিলেট, ঢাকায় একই ধরনের অপরাধ করছে বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

এলাকার কয়েকজন জানান আলী আক্কাসের নিকট থেকে টাকা গ্রহণ ও প্রতারণার বিষয়টি সঠিক। এই কয়েকজন হাসান, জাহাঙ্গীর, মনির এলাকায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে বলেও এলাকাবাসী জানান। অপরদিকে এই টাকা গ্রহণের যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও উল্লেখিত প্রতারকরা টাকা না দেওয়ার শেষ ফন্দি হিসেবে অসৎ লোকদের বুদ্ধি নিয়ে আলী আক্কাস ব্যাপারীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে চলছে। তিনি পুলিশ প্রশাসনের কাছে সমস্ত ঘটনার সুস্থ তদন্ত দাবি করেন।

স/এষ্

print

Facebook Comments

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন